الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَنْزَلَ عَلَىٰ عَبْدِهِ الْكِتَابَ وَلَمْ يَجْعَلْ لَهُ عِوَجًا١٨:١
১৮:১
18:1
সকল প্রশংসা আল্লাহ্র যিনি তাঁর বান্দার কাছে এই কিতাব অবতারণ করেছেন, আর তিনি এতে কোনো কুটিলতা রাখেন নি,—জহুরুল হক
সব প্রশংসা আল্লাহর যিনি নিজের বান্দার প্রতি এ গ্রন্থ নাযিল করেছেন এবং তাতে কোন বক্রতা রাখেননি।—মুহিউদ্দীন খান
[All] praise is [due] to Allah, who has sent down upon His Servant the Book and has not made therein any deviance.—Saheeh International
قَيِّمًا لِيُنْذِرَ بَأْسًا شَدِيدًا مِنْ لَدُنْهُ وَيُبَشِّرَ الْمُؤْمِنِينَ الَّذِينَ يَعْمَلُونَ الصَّالِحَاتِ أَنَّ لَهُمْ أَجْرًا حَسَنًا١٨:٢
১৮:২
18:2
সুপ্রতিষ্ঠিত, যেন তাঁর তরফ থেকে আসা কঠোর দুর্যোগ সন্বন্ধে এটি সতর্ক করতে পারে এবং সুসংবাদ দিতে পারে মুমিনদের যারা সৎকর্ম করে থাকে, -- যে তাদের জন্য অবশ্যই রয়েছে উত্তম প্রতিদান,—জহুরুল হক
একে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছেন যা আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি ভীষণ বিপদের ভয় প্রদর্শন করে এবং মুমিনদেরকে যারা সৎকর্ম সম্পাদন করে-তাদেরকে সুসংবাদ দান করে যে, তাদের জন্যে উত্তম প্রতিদান রয়েছে।—মুহিউদ্দীন খান
[He has made it] straight, to warn of severe punishment from Him and to give good tidings to the believers who do righteous deeds that they will have a good reward—Saheeh International
مَاكِثِينَ فِيهِ أَبَدًا١٨:٣
১৮:৩
18:3
সেখানে তারা থাকবে চিরকাল,—জহুরুল হক
তারা তাতে চিরকাল অবস্থান করবে।—মুহিউদ্দীন খান
In which they will remain forever—Saheeh International
وَيُنْذِرَ الَّذِينَ قَالُوا اتَّخَذَ اللَّهُ وَلَدًا١٨:٤
১৮:৪
18:4
আর যেন এটি সাবধান করতে পারে তাদের যারা বলে যে আল্লাহ্ একটি সন্তান গ্রহণ করেছেন।—জহুরুল হক
এবং তাদেরকে ভয় প্রদর্শন করার জন্যে যারা বলে যে, আল্লাহর সন্তান রয়েছে।—মুহিউদ্দীন খান
And to warn those who say, "Allah has taken a son."—Saheeh International
مَا لَهُمْ بِهِ مِنْ عِلْمٍ وَلَا لِآبَائِهِمْ ۚ كَبُرَتْ كَلِمَةً تَخْرُجُ مِنْ أَفْوَاهِهِمْ ۚ إِنْ يَقُولُونَ إِلَّا كَذِبًا١٨:٥
১৮:৫
18:5
তাদের এ বিষয়ে কোনো জ্ঞান নেই আর তাদের পিতৃপুরুষদেরও ছিল না। এ এক সাংঘাতিক কথা যা তাদের মুখ থেকে নির্গত হয়। তারা যা বলে তা মিথ্যা বৈ তো নয়।—জহুরুল হক
এ সম্পর্কে তাদের কোন জ্ঞান নেই এবং তাদের পিতৃপুরুষদেরও নেই। কত কঠিন তাদের মুখের কথা। তারা যা বলে তা তো সবই মিথ্যা।—মুহিউদ্দীন খান
They have no knowledge of it, nor had their fathers. Grave is the word that comes out of their mouths; they speak not except a lie.—Saheeh International
فَلَعَلَّكَ بَاخِعٌ نَفْسَكَ عَلَىٰ آثَارِهِمْ إِنْ لَمْ يُؤْمِنُوا بِهَـٰذَا الْحَدِيثِ أَسَفًا١٨:٦
১৮:৬
18:6
কাজেই হয়ত বা তাদের পেছনে ঘুরে ঘুরে তোমার নিজেকে তুমি দুঃখে কাতর করে তুলবে যেহেতু তারা এই নতুন বাণীতে বিশ্বাস করছে না।—জহুরুল হক
যদি তারা এই বিষয়বস্তুর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন না করে, তবে তাদের পশ্চাতে সম্ভবতঃ আপনি পরিতাপ করতে করতে নিজের প্রাণ নিপাত করবেন।—মুহিউদ্দীন খান
Then perhaps you would kill yourself through grief over them, [O Muhammad], if they do not believe in this message, [and] out of sorrow.—Saheeh International
إِنَّا جَعَلْنَا مَا عَلَى الْأَرْضِ زِينَةً لَهَا لِنَبْلُوَهُمْ أَيُّهُمْ أَحْسَنُ عَمَلًا١٨:٧
১৮:৭
18:7
নিঃসন্দেহ পৃথিবীর উপরে যা-কিছু আছে আমরা সেগুলোকে ওর অলংকাররূপে স্থাপন করেছি যেন আমরা তাদের যাচাই করতে পারি তাদের কারা কাজে সর্বোত্তম।—জহুরুল হক
আমি পৃথিবীস্থ সব কিছুকে পৃথিবীর জন্যে শোভা করেছি, যাতে লোকদের পরীক্ষা করি যে, তাদের মধ্যে কে ভাল কাজ করে।—মুহিউদ্দীন খান
Indeed, We have made that which is on the earth adornment for it that We may test them [as to] which of them is best in deed.—Saheeh International
وَإِنَّا لَجَاعِلُونَ مَا عَلَيْهَا صَعِيدًا جُرُزًا١٨:٨
১৮:৮
18:8
আর নিঃসন্দেহ তার উপরে যা-কিছু আছে আমরা তাকে করব তৃণলতাহীন মাটির গুড়োঁ।—জহুরুল হক
এবং তার উপর যাকিছু রয়েছে, অবশ্যই তা আমি উদ্ভিদশূন্য মাটিতে পরিণত করে দেব।—মুহিউদ্দীন খান
And indeed, We will make that which is upon it [into] a barren ground.—Saheeh International
أَمْ حَسِبْتَ أَنَّ أَصْحَابَ الْكَهْفِ وَالرَّقِيمِ كَانُوا مِنْ آيَاتِنَا عَجَبًا١٨:٩
১৮:৯
18:9
অথবা, তুমি কি মনে কর যে গুহার বাসিন্দারা ও লিখিত-ফলক আমাদের নিদর্শনাবলীর মধ্যে বিস্ময়কর?—জহুরুল হক
আপনি কি ধারণা করেন যে, গুহা ও গর্তের অধিবাসীরা আমার নিদর্শনাবলীর মধ্যে বিস্ময়কর ছিল ?—মুহিউদ্দীন খান
Or have you thought that the companions of the cave and the inscription were, among Our signs, a wonder?—Saheeh International
إِذْ أَوَى الْفِتْيَةُ إِلَى الْكَهْفِ فَقَالُوا رَبَّنَا آتِنَا مِنْ لَدُنْكَ رَحْمَةً وَهَيِّئْ لَنَا مِنْ أَمْرِنَا رَشَدًا١٨:١٠
১৮:১০
18:10
দেখো, কিছু যুবক গুহায় আশ্রয় নিল, তখন তারা বললে -- ''আমাদের প্রভু! তোমার কাছ থেকে আমাদের অনুগ্রহ প্রদান করো, আর আমাদের কাজকর্মে সঠিক রাস্তা বাতলে দাও।’’—জহুরুল হক
যখন যুবকরা পাহাড়ের গুহায় আশ্রয়গ্রহণ করে তখন দোআ করেঃ হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদেরকে নিজের কাছ থেকে রহমত দান করুন এবং আমাদের জন্যে আমাদের কাজ সঠিকভাবে পূর্ণ করুন।—মুহিউদ্দীন খান
[Mention] when the youths retreated to the cave and said, "Our Lord, grant us from Yourself mercy and prepare for us from our affair right guidance."—Saheeh International
فَضَرَبْنَا عَلَىٰ آذَانِهِمْ فِي الْكَهْفِ سِنِينَ عَدَدًا١٨:١١
১৮:১১
18:11
সেজন্য গুহার মধ্যে কয়েক বছরের জন্য আমরা তাদের কানে চাপা দিলাম,—জহুরুল হক
তখন আমি কয়েক বছরের জন্যে গুহায় তাদের কানের উপর নিদ্রার পর্দা ফেলে দেই।—মুহিউদ্দীন খান
So We cast [a cover of sleep] over their ears within the cave for a number of years.—Saheeh International
ثُمَّ بَعَثْنَاهُمْ لِنَعْلَمَ أَيُّ الْحِزْبَيْنِ أَحْصَىٰ لِمَا لَبِثُوا أَمَدًا١٨:١٢
১৮:১২
18:12
তারপর আমরা তাদের তোলে আনলাম যেন আমরা জানতে পারি দুই দলের কারা ভাল ক’রে গণতে পারে কত সময় তারা অবস্থান করেছিল।—জহুরুল হক
অতঃপর আমি তাদেরকে পুনরত্থিত করি, একথা জানার জন্যে যে, দুই দলের মধ্যে কোন দল তাদের অবস্থানকাল সম্পর্কে অধিক নির্ণয় করতে পারে।—মুহিউদ্দীন খান
Then We awakened them that We might show which of the two factions was most precise in calculating what [extent] they had remained in time.—Saheeh International
نَحْنُ نَقُصُّ عَلَيْكَ نَبَأَهُمْ بِالْحَقِّ ۚ إِنَّهُمْ فِتْيَةٌ آمَنُوا بِرَبِّهِمْ وَزِدْنَاهُمْ هُدًى١٨:١٣
১৮:১৩
18:13
আমরা তোমার কাছে তাদের কাহিনী বর্ণনা করছি সঠিকভাবে -- নিঃসন্দেহ এরা ছিল কয়েকজন যুবক যারা তাদের প্রভুর প্রতি ঈমান এনেছিল, আর আমরা তাদের সৎপথে চলার ক্ষমতা বাড়িয়ে দিয়েছিলাম।—জহুরুল হক
আপনার কাছে তাদের ইতিবৃত্তান্ত সঠিকভাবে বর্ণনা করছি। তারা ছিল কয়েকজন যুবক। তারা তাদের পালনকর্তার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেছিল এবং আমি তাদের সৎপথে চলার শক্তি বাড়িয়ে দিয়েছিলাম।—মুহিউদ্দীন খান
It is We who relate to you, [O Muhammad], their story in truth. Indeed, they were youths who believed in their Lord, and We increased them in guidance.—Saheeh International
وَرَبَطْنَا عَلَىٰ قُلُوبِهِمْ إِذْ قَامُوا فَقَالُوا رَبُّنَا رَبُّ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ لَنْ نَدْعُوَ مِنْ دُونِهِ إِلَـٰهًا ۖ لَقَدْ قُلْنَا إِذًا شَطَطًا١٨:١٤
১৮:১৪
18:14
আর আমরা তাদের হৃদয়ে শক্তিবর্ধন করেছিলাম যখন তারা দাঁড়িয়েছিল ও বলেছিল -- ''আমাদের প্রভু হচ্ছেন মহাকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর প্রভু, আমরা কখনই তাঁকে ছেড়ে দিয়ে অন্য উপাস্যকে ডাকব না, কেননা সেক্ষেত্রে আমরা আলবৎ বলে থাকব এক ডাহা মিথ্যা।—জহুরুল হক
আমি তাদের মন দৃঢ় করেছিলাম, যখন তারা উঠে দাঁড়িয়েছিল। অতঃপর তারা বললঃ আমাদের পালনকর্তা আসমান ও যমীনের পালনকর্তা আমরা কখনও তার পরিবর্তে অন্য কোন উপাস্যকে আহবান করব না। যদি করি, তবে তা অত্যন্ত গর্হিত কাজ হবে।—মুহিউদ্দীন খান
And We made firm their hearts when they stood up and said, "Our Lord is the Lord of the heavens and the earth. Never will we invoke besides Him any deity. We would have certainly spoken, then, an excessive transgression.—Saheeh International
هَـٰؤُلَاءِ قَوْمُنَا اتَّخَذُوا مِنْ دُونِهِ آلِهَةً ۖ لَوْلَا يَأْتُونَ عَلَيْهِمْ بِسُلْطَانٍ بَيِّنٍ ۖ فَمَنْ أَظْلَمُ مِمَّنِ افْتَرَىٰ عَلَى اللَّهِ كَذِبًا١٨:١٥
১৮:১৫
18:15
''আমাদেরই এই স্বজাতিরা তাঁকে ছেড়ে দিয়ে অন্য উপাস্যদের গ্রহণ করেছে। এরা কেন তাদের সন্বন্ধে কোনো স্পষ্ট প্রমাণ নিয়ে আসে না? তা’হলে কে বেশি অন্যায়কারী তার চাইতে যে আল্লাহ্ সন্বন্ধে মিথ্যা রচনা করে?’’—জহুরুল হক
এরা আমাদেরই স্ব-জাতি, এরা তাঁর পরিবর্তে অনেক উপাস্য গ্রহণ করেছে। তারা এদের সম্পর্কে প্রকাশ্য প্রমাণ উপস্থিত করে না কেন? যে আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যা উদ্ভাবন করে, তার চাইতে অধিক গোনাহগার আর কে?—মুহিউদ্দীন খান
These, our people, have taken besides Him deities. Why do they not bring for [worship of] them a clear authority? And who is more unjust than one who invents about Allah a lie?"—Saheeh International
وَإِذِ اعْتَزَلْتُمُوهُمْ وَمَا يَعْبُدُونَ إِلَّا اللَّهَ فَأْوُوا إِلَى الْكَهْفِ يَنْشُرْ لَكُمْ رَبُّكُمْ مِنْ رَحْمَتِهِ وَيُهَيِّئْ لَكُمْ مِنْ أَمْرِكُمْ مِرْفَقًا١٨:١٦
১৮:১৬
18:16
আর স্মরণ করো! তোমরা তাদের থেকে এবং আল্লাহ্ ছাড়া যাদের তারা উপাসনা করত সে-সব থেকে বিচ্ছিন্ন হলে, তখন তোমরা গুহার দিকে আশ্রয় নিলে। তোমাদের প্রভু তোমাদের জন্য তাঁর করুণা বিস্তার করলেন, এবং তোমাদের জন্য তৈরি করলেন তেমাদের কাজকর্ম থেকে লাভজনক পরিস্থিতি।—জহুরুল হক
তোমরা যখন তাদের থেকে পৃথক হলে এবং তারা আল্লাহর পরিবর্তে যাদের এবাদত করে তাদের থেকে, তখন তোমরা গুহায় আশ্রয়গ্রহণ কর। তোমাদের পালনকর্তা তোমাদের জন্যে দয়া বিস্তার করবেন এবং তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের কাজ কর্মকে ফলপ্রসু করার ব্যবস্থা করবেন।—মুহিউদ্দীন খান
[The youths said to one another], "And when you have withdrawn from them and that which they worship other than Allah, retreat to the cave. Your Lord will spread out for you of His mercy and will prepare for you from your affair facility."—Saheeh International
وَتَرَى الشَّمْسَ إِذَا طَلَعَتْ تَزَاوَرُ عَنْ كَهْفِهِمْ ذَاتَ الْيَمِينِ وَإِذَا غَرَبَتْ تَقْرِضُهُمْ ذَاتَ الشِّمَالِ وَهُمْ فِي فَجْوَةٍ مِنْهُ ۚ ذَٰلِكَ مِنْ آيَاتِ اللَّهِ ۗ مَنْ يَهْدِ اللَّهُ فَهُوَ الْمُهْتَدِ ۖ وَمَنْ يُضْلِلْ فَلَنْ تَجِدَ لَهُ وَلِيًّا مُرْشِدًا١٨:١٧
১৮:১৭
18:17
আর সূর্য যখন উদয় হত তখন তুমি দেখতে পেতে তাদের গুহা থেকে ডান দিকে হেলে আছে, আর যখন অস্ত যেত তখন বাম পাশ দিয়ে তাদের অতিক্রম করছে, আর তারা এর এক বিস্তৃত অঞ্চল জুড়ে রয়েছিল। এটি ছিল আল্লাহ্র নিদর্শনগুলোর অন্যতম। যাকে আল্লাহ্ সৎপথে চালান সেই তবে সৎপথে চালিত, আর যাকে তিনি পথভ্রষ্ট হতে দেন তার জন্যে তুমি তবে কোনো পথ প্রদর্শনকারী অভিভাবক পাবে না।—জহুরুল হক
তুমি সূর্যকে দেখবে, যখন উদিত হয়, তাদের গুহা থেকে পাশ কেটে ডান দিকে চলে যায় এবং যখন অস্ত যায়, তাদের থেকে পাশ কেটে বামদিকে চলে যায়, অথচ তারা গুহার প্রশস্ত চত্বরে অবস্থিত। এটা আল্লাহর নিদর্শনাবলীর অন্যতম। আল্লাহ যাকে সৎপথে চালান, সেই সৎপথ প্রাপ্ত এবং তিনি যাকে পথভ্রষ্ট করেন, আপনি কখনও তার জন্যে পথপ্রদর্শনকারী ও সাহায্যকারী পাবেন না।—মুহিউদ্দীন খান
And [had you been present], you would see the sun when it rose, inclining away from their cave on the right, and when it set, passing away from them on the left, while they were [laying] within an open space thereof. That was from the signs of Allah. He whom Allah guides is the [rightly] guided, but he whom He leaves astray - never will you find for him a protecting guide.—Saheeh International
وَتَحْسَبُهُمْ أَيْقَاظًا وَهُمْ رُقُودٌ ۚ وَنُقَلِّبُهُمْ ذَاتَ الْيَمِينِ وَذَاتَ الشِّمَالِ ۖ وَكَلْبُهُمْ بَاسِطٌ ذِرَاعَيْهِ بِالْوَصِيدِ ۚ لَوِ اطَّلَعْتَ عَلَيْهِمْ لَوَلَّيْتَ مِنْهُمْ فِرَارًا وَلَمُلِئْتَ مِنْهُمْ رُعْبًا١٨:١٨
১৮:১৮
18:18
আর তুমি তাদের মনে করতে জাগ্রত যদিও তারা ছিল ঘুমন্ত, আর আমরা তাদের পাশ ফিরিয়ে দিতাম ডান দিকে ও বাঁ দিকে, আর তাদের কুকুরটি থাবা মেলে রয়েছিল প্রবেশপথে। তুমি যদি তাদের হঠাৎ দেখতে তবে তাদের থেকে পিছন ফিরতে পলায়নপর হয়ে, আর তুমি নিশ্চয়ই তাদের কারণে ভয়ে বিহল হতে।—জহুরুল হক
তুমি মনে করবে তারা জাগ্রত, অথচ তারা নিদ্রিত। আমি তাদেরকে পার্শ্ব পরিবর্তন করাই ডান দিকে ও বাম দিকে। তাদের কুকুর ছিল সামনের পা দুটি গুহাদ্বারে প্রসারিত করে। যদি তুমি উঁকি দিয়ে তাদেরকে দেখতে, তবে পেছন ফিরে পলায়ন করতে এবং তাদের ভয়ে আতংক গ্রস্ত হয়ে পড়তে।—মুহিউদ্দীন খান
And you would think them awake, while they were asleep. And We turned them to the right and to the left, while their dog stretched his forelegs at the entrance. If you had looked at them, you would have turned from them in flight and been filled by them with terror.—Saheeh International
وَكَذَٰلِكَ بَعَثْنَاهُمْ لِيَتَسَاءَلُوا بَيْنَهُمْ ۚ قَالَ قَائِلٌ مِنْهُمْ كَمْ لَبِثْتُمْ ۖ قَالُوا لَبِثْنَا يَوْمًا أَوْ بَعْضَ يَوْمٍ ۚ قَالُوا رَبُّكُمْ أَعْلَمُ بِمَا لَبِثْتُمْ فَابْعَثُوا أَحَدَكُمْ بِوَرِقِكُمْ هَـٰذِهِ إِلَى الْمَدِينَةِ فَلْيَنْظُرْ أَيُّهَا أَزْكَىٰ طَعَامًا فَلْيَأْتِكُمْ بِرِزْقٍ مِنْهُ وَلْيَتَلَطَّفْ وَلَا يُشْعِرَنَّ بِكُمْ أَحَدًا١٨:١٩
১৮:১৯
18:19
আর এইভাবে আমরা তাদের জাগিয়ে তোলেছিলাম যেন তারা তাদের নিজেদের মধ্যে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে। তাদের মধ্যের একজন বক্তা বললে -- ''কতকাল তোমরা অবস্থান করেছিলে?’’ তারা বললে, ''আমরা অবস্থান করেছিলাম একদিন বা একদিনের কিছু অংশ।’’ তারা বললে -- ''তোমাদের প্রভু ভাল জানেন কতক্ষণ তোমরা অবস্থান করেছ। এখন তোমাদের একজনকে এই রেপ্যমুদ্রা দিয়ে শহরে পাঠাও, সে তখন দেখুক কোনটা কোনটা ভাল খাবার, আর তা থেকে যেন তোমাদের খাবার নিয়ে আসে। আর সে যেন বিচক্ষণতার সাথে চলে এবং তোমাদের সন্বন্ধে কাউকেও কিছু জানতে না দেয়।—জহুরুল হক
আমি এমনি ভাবে তাদেরকে জাগ্রত করলাম, যাতে তারা পরস্পর জিজ্ঞাসাবাদ করে। তাদের একজন বললঃ তোমরা কতকাল অবস্থান করেছ? তাদের কেউ বললঃ একদিন অথবা একদিনের কিছু অংশ অবস্থান করছি। কেউ কেউ বললঃ তোমাদের পালনকর্তাই ভাল জানেন তোমরা কতকাল অবস্থান করেছ। এখন তোমাদের একজনকে তোমাদের এই মুদ্রাসহ শহরে প্রেরণ কর; সে যেন দেখে কোন খাদ্য পবিত্র। অতঃপর তা থেকে যেন কিছু খাদ্য নিয়ে আসে তোমাদের জন্য; সে যেন নম্রতা সহকারে যায় ও কিছুতেই যেন তোমাদের খবর কাউকে না জানায়।—মুহিউদ্দীন খান
And similarly, We awakened them that they might question one another. Said a speaker from among them, "How long have you remained [here]?" They said, "We have remained a day or part of a day." They said, "Your Lord is most knowing of how long you remained. So send one of you with this silver coin of yours to the city and let him look to which is the best of food and bring you provision from it and let him be cautious. And let no one be aware of you.—Saheeh International
إِنَّهُمْ إِنْ يَظْهَرُوا عَلَيْكُمْ يَرْجُمُوكُمْ أَوْ يُعِيدُوكُمْ فِي مِلَّتِهِمْ وَلَنْ تُفْلِحُوا إِذًا أَبَدًا١٨:٢٠
১৮:২০
18:20
''নিঃসন্দেহ তাদের ক্ষেত্রে -- তারা যদি তোমাদের সন্বন্ধে জানতে পারে তবে তোমাদের পাথর ছুঁড়ে মেরে ফেলবে অথবা তাদের ধর্মে তোমাদের ফিরিয়ে নেবে এবং সেক্ষেত্রে তোমরা কখনো সফলকাম হবে না।’’—জহুরুল হক
তারা যদি তোমাদের খবর জানতে পারে, তবে পাথর মেরে তোমাদেরকে হত্যা করবে, অথবা তোমাদেরকে তাদের ধর্মে ফিরিয়ে নেবে। তাহলে তোমরা কখনই সাফল্য লাভ করবে না।—মুহিউদ্দীন খান
Indeed, if they come to know of you, they will stone you or return you to their religion. And never would you succeed, then - ever."—Saheeh International
وَكَذَٰلِكَ أَعْثَرْنَا عَلَيْهِمْ لِيَعْلَمُوا أَنَّ وَعْدَ اللَّهِ حَقٌّ وَأَنَّ السَّاعَةَ لَا رَيْبَ فِيهَا إِذْ يَتَنَازَعُونَ بَيْنَهُمْ أَمْرَهُمْ ۖ فَقَالُوا ابْنُوا عَلَيْهِمْ بُنْيَانًا ۖ رَبُّهُمْ أَعْلَمُ بِهِمْ ۚ قَالَ الَّذِينَ غَلَبُوا عَلَىٰ أَمْرِهِمْ لَنَتَّخِذَنَّ عَلَيْهِمْ مَسْجِدًا١٨:٢١
১৮:২১
18:21
আর এইভাবে আমরা জানিয়ে দিলাম ওদের সন্বন্ধে যেন তারা জানতে পারে যে আল্লাহ্র ওয়াদাই সত্য, আর ঘড়ি-ঘন্টা সন্বন্ধে, এতে কোনো সন্দেহ নেই। যখন তারা নিজেদের মধ্যে তাদের কর্তব্য সন্বন্ধে বিতর্ক করছিল তখন তারা বললে -- ''তাদের উপরে একটি সৌধ নির্মাণ কর’’। তাদের প্রভু তাদের বিষয়ে ভাল জানেন। তাদের কর্তব্য সন্বন্ধে যারা প্রভাব বিস্তার করল তারা বলল -- ''আমরা সুনিশ্চিত তাদের উপরে একটি মসজিদ বানাব’’।—জহুরুল হক
এমনিভাবে আমি তাদের খবর প্রকাশ করে দিলাম, যাতে তারা জ্ঞাত হয় যে, আল্লাহর ওয়াদা সত্য এবং কেয়ামতে কোন সন্দেহ নেই। যখন তারা নিজেদের কর্তব্য বিষয়ে পরস্পর বিতর্ক করছিল, তখন তারা বললঃ তাদের উপর সৌধ নির্মাণ কর। তাদের পালনকর্তা তাদের বিষয়ে ভাল জানেন। তাদের কর্তব্য বিষয়ে যাদের মত প্রবল হল, তারা বললঃ আমরা অবশ্যই তাদের স্থানে মসজিদ নির্মান করব।—মুহিউদ্দীন খান
And similarly, We caused them to be found that they [who found them] would know that the promise of Allah is truth and that of the Hour there is no doubt. [That was] when they disputed among themselves about their affair and [then] said, "Construct over them a structure. Their Lord is most knowing about them." Said those who prevailed in the matter, "We will surely take [for ourselves] over them a masjid."—Saheeh International
سَيَقُولُونَ ثَلَاثَةٌ رَابِعُهُمْ كَلْبُهُمْ وَيَقُولُونَ خَمْسَةٌ سَادِسُهُمْ كَلْبُهُمْ رَجْمًا بِالْغَيْبِ ۖ وَيَقُولُونَ سَبْعَةٌ وَثَامِنُهُمْ كَلْبُهُمْ ۚ قُلْ رَبِّي أَعْلَمُ بِعِدَّتِهِمْ مَا يَعْلَمُهُمْ إِلَّا قَلِيلٌ ۗ فَلَا تُمَارِ فِيهِمْ إِلَّا مِرَاءً ظَاهِرًا وَلَا تَسْتَفْتِ فِيهِمْ مِنْهُمْ أَحَدًا١٨:٢٢
১৮:২২
18:22
তারা অচিরেই বলবে -- ''তিনজন, তাদের চতুর্থজন ছিল তাদের কুকুর’’, আর তারা বলবে -- ''পাঁচজন, তাদের ষষ্ঠজন ছিল তাদের কুকুর’’, -- অজানা সন্বন্ধে আন্দাজ করা মাত্র, আর তারা বলে -- ''সাতজন, তাদের অষ্টমজন তাদের কুকুর। ’’ তুমি বলো -- ''আমার প্রভু ভাল জানেন সংখ্যা, অল্প কয়েকজন ছাড়া অন্যে তাদের চেনে না।’’ সুতরাং তাদের সন্বন্ধে বিতর্ক করো না সাধারণ আলোচনা ছাড়া, আর তাদের সন্বন্ধে ওদের কোনো একজনকেও জিজ্ঞাসাবাদ করো না।—জহুরুল হক
অজ্ঞাত বিষয়ে অনুমানের উপর ভিত্তি করে এখন তারা বলবেঃ তারা ছিল তিন জন; তাদের চতুর্থটি তাদের কুকুর। একথাও বলবে; তারা পাঁচ জন। তাদের ছষ্ঠটি ছিল তাদের কুকুর। আরও বলবেঃ তারা ছিল সাত জন। তাদের অষ্টমটি ছিল তাদের কুকুর। বলুনঃ আমার পালনকর্তা তাদের সংখ্যা ভাল জানেন। তাদের খবর অল্প লোকই জানে। সাধারণ আলোচনা ছাড়া আপনি তাদের সম্পর্কে বিতর্ক করবেন না এবং তাদের অবস্থা সম্পর্কে তাদের কাউকে জিজ্ঞাসাবাদ ও করবেন না।—মুহিউদ্দীন খান
They will say there were three, the fourth of them being their dog; and they will say there were five, the sixth of them being their dog - guessing at the unseen; and they will say there were seven, and the eighth of them was their dog. Say, [O Muhammad], "My Lord is most knowing of their number. None knows them except a few. So do not argue about them except with an obvious argument and do not inquire about them among [the speculators] from anyone."—Saheeh International
وَلَا تَقُولَنَّ لِشَيْءٍ إِنِّي فَاعِلٌ ذَٰلِكَ غَدًا١٨:٢٣
১৮:২৩
18:23
আর কোনো ব্যাপারে কখনই বলো না -- ''আমি এটি নিশ্চয়ই কালকে করে ফেলব --—জহুরুল হক
আপনি কোন কাজের বিষয়ে বলবেন না যে, সেটি আমি আগামী কাল করব।—মুহিউদ্দীন খান
And never say of anything, "Indeed, I will do that tomorrow,"—Saheeh International
إِلَّا أَنْ يَشَاءَ اللَّهُ ۚ وَاذْكُرْ رَبَّكَ إِذَا نَسِيتَ وَقُلْ عَسَىٰ أَنْ يَهْدِيَنِ رَبِّي لِأَقْرَبَ مِنْ هَـٰذَا رَشَدًا١٨:٢٤
১৮:২৪
18:24
''যদি না আল্লাহ্ ইচ্ছা করেন’’। আর তোমার প্রভুকে স্মরণ করো যখনই ভুলে যাও, আর বলো -- ''হয়ত বা আমার প্রভু আমাকে এর চেয়েও নিকটতর রাস্তায় পরিচালিত করবেন।’’—জহুরুল হক
‘আল্লাহ ইচ্ছা করলে’ বলা ব্যতিরেকে। যখন ভুলে যান, তখন আপনার পালনকর্তাকে স্মরণ করুন এবং বলুনঃ আশা করি আমার পালনকর্তা আমাকে এর চাইতেও নিকটতম সত্যের পথ নির্দেশ করবেন।—মুহিউদ্দীন খান
Except [when adding], "If Allah wills." And remember your Lord when you forget [it] and say, "Perhaps my Lord will guide me to what is nearer than this to right conduct."—Saheeh International
وَلَبِثُوا فِي كَهْفِهِمْ ثَلَاثَ مِائَةٍ سِنِينَ وَازْدَادُوا تِسْعًا١٨:٢٥
১৮:২৫
18:25
আর তারা তাদের গুহায় অবস্থান করেছিল তিন শত বছর, আর কেউ যোগ করে নয়।—জহুরুল হক
তাদের উপর তাদের গুহায় তিনশ বছর, অতিরিক্ত আরও নয় বছর অতিবাহিত হয়েছে।—মুহিউদ্দীন খান
And they remained in their cave for three hundred years and exceeded by nine.—Saheeh International
قُلِ اللَّهُ أَعْلَمُ بِمَا لَبِثُوا ۖ لَهُ غَيْبُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ ۖ أَبْصِرْ بِهِ وَأَسْمِعْ ۚ مَا لَهُمْ مِنْ دُونِهِ مِنْ وَلِيٍّ وَلَا يُشْرِكُ فِي حُكْمِهِ أَحَدًا١٨:٢٦
১৮:২৬
18:26
বলো -- ''আল্লাহ্ ভাল জানেন কত কাল তারা অবস্থান করেছিল। মহাকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর অজ্ঞাত সব তাঁরই। কত তীক্ষ তাঁর দৃষ্টি ও কত সজাগ কান! তাঁকে বাদ দিয়ে তাদের জন্য কোনো অভিভাবক নেই, আর তিনি কোনো একজনকেও তাঁর কর্তৃত্বের অংশী করেন না।’’—জহুরুল হক
বলুনঃ তারা কতকাল অবস্থান করেছে, তা আল্লাহই ভাল জানেন। নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলের অদৃশ্য বিষয়ের জ্ঞান তাঁরই কাছে রয়েছে। তিনি কত চমৎকার দেখেন ও শোনেন। তিনি ব্যতীত তাদের জন্য কোন সাহায্যকারী নেই। তিনি কাউকে নিজ কর্তৃত্বে শরীক করেন না।—মুহিউদ্দীন খান
Say, "Allah is most knowing of how long they remained. He has [knowledge of] the unseen [aspects] of the heavens and the earth. How Seeing is He and how Hearing! They have not besides Him any protector, and He shares not His legislation with anyone."—Saheeh International
وَاتْلُ مَا أُوحِيَ إِلَيْكَ مِنْ كِتَابِ رَبِّكَ ۖ لَا مُبَدِّلَ لِكَلِمَاتِهِ وَلَنْ تَجِدَ مِنْ دُونِهِ مُلْتَحَدًا١٨:٢٧
১৮:২৭
18:27
আর পাঠ করো তোমার প্রভুর কিতাবের থেকে যা তোমাদের কাছে প্রত্যাদিষ্ট হয়েছে। এমন কেউ নেই যে তাঁর বাণী বদল করতে পারে, আর তাঁকে বাদ দিয়ে তুমি পাবে না কোনো আশ্রয়স্থল।—জহুরুল হক
আপনার প্রতি আপনার পালনকর্তার যে, কিতাব প্রত্যাদিষ্ট করা হয়েছে, তা পাঠ করুন। তাঁর বাক্য পরিবর্তন করার কেউ নাই। তাঁকে ব্যতীত আপনি কখনই কোন আশ্রয় স্থল পাবেন না।—মুহিউদ্দীন খান
And recite, [O Muhammad], what has been revealed to you of the Book of your Lord. There is no changer of His words, and never will you find in other than Him a refuge.—Saheeh International
وَاصْبِرْ نَفْسَكَ مَعَ الَّذِينَ يَدْعُونَ رَبَّهُمْ بِالْغَدَاةِ وَالْعَشِيِّ يُرِيدُونَ وَجْهَهُ ۖ وَلَا تَعْدُ عَيْنَاكَ عَنْهُمْ تُرِيدُ زِينَةَ الْحَيَاةِ الدُّنْيَا ۖ وَلَا تُطِعْ مَنْ أَغْفَلْنَا قَلْبَهُ عَنْ ذِكْرِنَا وَاتَّبَعَ هَوَاهُ وَكَانَ أَمْرُهُ فُرُطًا١٨:٢٨
১৮:২৮
18:28
আর যারা সকালে ও সন্ধ্যায় তাদের প্রভুকে তাঁর প্রসন্নতা কামনা ক’রে আহ্বান করে তাদের সঙ্গে তুমি নিজেও অধ্যবসায় অবলন্বন করো, আর তাদের থেকে তোমার দৃষ্টি ফিরিয়ে নিয়ো না এই দুনিয়ার জীবনের শোভা- সৌন্দর্য কামনা ক’রে । আর যার হৃদয়কে আমাদের নামকীর্তন থেকে আমরা বেখেয়াল করেছি আর যে তার খেয়াল-খুশির অনুসরণ করে আর যার কার্যকলাপ সীমালংঘন করে গেছে তুমি তার অনুসরণ করো না।—জহুরুল হক
আপনি নিজেকে তাদের সংসর্গে আবদ্ধ রাখুন যারা সকাল ও সন্ধ্যায় তাদের পালনকর্তাকে তাঁর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে আহবান করে এবং আপনি পার্থিব জীবনের সৌন্দর্য কামনা করে তাদের থেকে নিজের দৃষ্টি ফিরিয়ে নেবেন না। যার মনকে আমার স্মরণ থেকে গাফেল করে দিয়েছি, যে, নিজের প্রবৃত্তির অনুসরণ করে এবং যার কার্য কলাপ হচ্ছে সীমা অতিক্রম করা, আপনি তার অনুগত্য করবেন না।—মুহিউদ্দীন খান
And keep yourself patient [by being] with those who call upon their Lord in the morning and the evening, seeking His countenance. And let not your eyes pass beyond them, desiring adornments of the worldly life, and do not obey one whose heart We have made heedless of Our remembrance and who follows his desire and whose affair is ever [in] neglect.—Saheeh International
وَقُلِ الْحَقُّ مِنْ رَبِّكُمْ ۖ فَمَنْ شَاءَ فَلْيُؤْمِنْ وَمَنْ شَاءَ فَلْيَكْفُرْ ۚ إِنَّا أَعْتَدْنَا لِلظَّالِمِينَ نَارًا أَحَاطَ بِهِمْ سُرَادِقُهَا ۚ وَإِنْ يَسْتَغِيثُوا يُغَاثُوا بِمَاءٍ كَالْمُهْلِ يَشْوِي الْوُجُوهَ ۚ بِئْسَ الشَّرَابُ وَسَاءَتْ مُرْتَفَقًا١٨:٢٩
১৮:২৯
18:29
তুমি বলো -- ''তোমাদের প্রভুর কাছ থেকে সত্য, সেজন্য যে ইচ্ছা করে সে যেন বিশ্বাস করে, আর যে চায় সে অবিশ্বাসই করুক।’’ নিঃসন্দেহ অন্যায়কারীদের জন্য আমরা তৈরি করেছি আগুন, এর বেড়া তাদের ঘেরাও করে রাখবে। আর তারা যদি পানীয় চায় তবে তাদের পানীয় দেয়া হবে গলিত সীসার মতো জল যা তাদের মুখমন্ডল পুড়িয়ে দেবে। এ এক নিকৃষ্ট পানীয়! আর মন্দ সেই বিশ্রামস্থল!—জহুরুল হক
বলুনঃ সত্য তোমাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে আগত। অতএব, যার ইচ্ছা, বিশ্বাস স্থাপন করুক এবং যার ইচ্ছা অমান্য করুক। আমি জালেমদের জন্যে অগ্নি প্রস্তুত করে রেখেছি, যার বেষ্টনী তাদের কে পরিবেষ্টন করে থাকবে। যদি তারা পানীয় প্রার্থনা করে, তবে পুঁজের ন্যায় পানীয় দেয়া হবে যা তাদের মুখমন্ডল দগ্ধ করবে। কত নিকৃষ্ট পানীয় এবং খুবই মন্দ আশ্রয়।—মুহিউদ্দীন খান
And say, "The truth is from your Lord, so whoever wills - let him believe; and whoever wills - let him disbelieve." Indeed, We have prepared for the wrongdoers a fire whose walls will surround them. And if they call for relief, they will be relieved with water like murky oil, which scalds [their] faces. Wretched is the drink, and evil is the resting place.—Saheeh International
إِنَّ الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ إِنَّا لَا نُضِيعُ أَجْرَ مَنْ أَحْسَنَ عَمَلًا١٨:٣٠
১৮:৩০
18:30
নিঃসন্দেহ যারা ঈমান এনেছে ও সৎকর্ম করছে -- আমরা নিশ্চয়ই যারা ভাল কাজ করে তাদের কর্মফল ব্যর্থ করি না।—জহুরুল হক
যারা বিশ্বাস স্থাপন করে এবং সৎকর্ম সম্পাদন করে আমি সৎকর্মশীলদের পুরস্কার নষ্ট করি না।—মুহিউদ্দীন খান
Indeed, those who have believed and done righteous deeds - indeed, We will not allow to be lost the reward of any who did well in deeds.—Saheeh International
أُولَـٰئِكَ لَهُمْ جَنَّاتُ عَدْنٍ تَجْرِي مِنْ تَحْتِهِمُ الْأَنْهَارُ يُحَلَّوْنَ فِيهَا مِنْ أَسَاوِرَ مِنْ ذَهَبٍ وَيَلْبَسُونَ ثِيَابًا خُضْرًا مِنْ سُنْدُسٍ وَإِسْتَبْرَقٍ مُتَّكِئِينَ فِيهَا عَلَى الْأَرَائِكِ ۚ نِعْمَ الثَّوَابُ وَحَسُنَتْ مُرْتَفَقًا١٨:٣١
১৮:৩১
18:31
এরাই -- এদের জন্য রয়েছে নন্দন কানন সমূহ, যাদের নিচ দিয়ে বয়ে চলে ঝরনারাজি, তাদের সেখানে অলংকৃত করানো হবে সোনার কাঁকন দিয়ে, আর তাদের পরানো হবে মিহি রেশমের ও পুরু জরির সবুজ পোশাকে, সেখানে সমাসীন হবে সুসজ্জিত আসনে। কি উত্তম পুরস্কার, আর কত সুন্দর বিশ্রামস্থল!—জহুরুল হক
তাদেরই জন্যে আছে বসবাসের জান্নাত। তাদের পাদদেশে প্রবাহিত হয় নহরসমূহ। তাদের তথায় স্বর্ণ-কংকনে অলংকৃত করা হবে এবং তারা পাতলা ও মোটা রেশমের সবুজ কাপর পরিধান করবে এমতাবস্থায় যে, তারা সিংহাসনে সমাসীন হবে। চমৎকার প্রতিদান এবং কত উত্তম আশ্রয়।—মুহিউদ্দীন খান
Those will have gardens of perpetual residence; beneath them rivers will flow. They will be adorned therein with bracelets of gold and will wear green garments of fine silk and brocade, reclining therein on adorned couches. Excellent is the reward, and good is the resting place.—Saheeh International
وَاضْرِبْ لَهُمْ مَثَلًا رَجُلَيْنِ جَعَلْنَا لِأَحَدِهِمَا جَنَّتَيْنِ مِنْ أَعْنَابٍ وَحَفَفْنَاهُمَا بِنَخْلٍ وَجَعَلْنَا بَيْنَهُمَا زَرْعًا١٨:٣٢
১৮:৩২
18:32
আর তাদের জন্য একটি রূপক ছুড়োঁ দুজন লোকের -- তাদের একজনের জন্য আমরা বানিয়েছি আঙুরলতার দুটি বাগান, আর এ দুটিকে ঘিরে দিয়েছিলাম খেজুরগাছ দিয়ে, আর সে-সবের মাঝে মাঝে বানিয়েছিলাম শস্যক্ষেত্র।—জহুরুল হক
আপনি তাদের কাছে দু ব্যক্তির উদাহরণ বর্ণনা করুন। আমি তাদের একজনকে দুটি আঙ্গুরের বাগান দিয়েছি এবং এ দু’টিকে খর্জুর বৃক্ষ দ্বারা পরিবেষ্টিত করেছি এবং দু এর মাঝখানে করেছি শস্যক্ষেত্র।—মুহিউদ্দীন খান
And present to them an example of two men: We granted to one of them two gardens of grapevines, and We bordered them with palm trees and placed between them [fields of] crops.—Saheeh International
كِلْتَا الْجَنَّتَيْنِ آتَتْ أُكُلَهَا وَلَمْ تَظْلِمْ مِنْهُ شَيْئًا ۚ وَفَجَّرْنَا خِلَالَهُمَا نَهَرًا١٨:٣٣
১৮:৩৩
18:33
বাগান দুটির প্রত্যেকটাই প্রদান করত তার ফলমূল, আর এতে এ কোনো ত্রুটি করত না, আর এ দুইয়ের মধ্যদেশে বইয়েছিলাম জলপ্রবাহ,—জহুরুল হক
উভয় বাগানই ফলদান করে এবং তা থেকে কিছুই হ্রাস করত না এবং উভয়ের ফাঁকে ফাঁকে আমি নহর প্রবাহিত করেছি।—মুহিউদ্দীন খান
Each of the two gardens produced its fruit and did not fall short thereof in anything. And We caused to gush forth within them a river.—Saheeh International
وَكَانَ لَهُ ثَمَرٌ فَقَالَ لِصَاحِبِهِ وَهُوَ يُحَاوِرُهُ أَنَا أَكْثَرُ مِنْكَ مَالًا وَأَعَزُّ نَفَرًا١٨:٣٤
১৮:৩৪
18:34
আর ফলটি ছিল তার। তাই সে তার সঙ্গীকে বললে এবং যে তার সঙ্গে কথাবার্তা বলছিল -- ''আমি ধনসম্পদে তোমার চাইতে প্রাচুর্যময় এবং জনবলেও শক্তিশালী।’’—জহুরুল হক
সে ফল পেল। অতঃপর কথা প্রসঙ্গে সঙ্গীকে বললঃ আমার ধন-সম্পদ তোমার চাইতে বেশী এবং জনবলে আমি অধিক শক্তিশালী।—মুহিউদ্দীন খান
And he had fruit, so he said to his companion while he was conversing with him, "I am greater than you in wealth and mightier in [numbers of] men."—Saheeh International
وَدَخَلَ جَنَّتَهُ وَهُوَ ظَالِمٌ لِنَفْسِهِ قَالَ مَا أَظُنُّ أَنْ تَبِيدَ هَـٰذِهِ أَبَدًا١٨:٣٥
১৮:৩৫
18:35
আর সে তার বাগানে ঢুকল অথচ সে তার নিজের প্রতি অন্যায় করছিল। সে বললে -- ''আমি মনে করি না যে এসব কখনো নিঃশেষ হয়ে যাবে,—জহুরুল হক
নিজের প্রতি জুলুম করে সে তার বাগানে প্রবেশ করল। সে বললঃ আমার মনে হয় না যে, এ বাগান কখনও ধ্বংস হয়ে যাবে।—মুহিউদ্দীন খান
And he entered his garden while he was unjust to himself. He said, "I do not think that this will perish - ever.—Saheeh International
وَمَا أَظُنُّ السَّاعَةَ قَائِمَةً وَلَئِنْ رُدِدْتُ إِلَىٰ رَبِّي لَأَجِدَنَّ خَيْرًا مِنْهَا مُنْقَلَبًا١٨:٣٦
১৮:৩৬
18:36
''আর আমি মনে করি না যে ঘড়িঘন্টা বলবৎ হবে, আর যদিবা আমার প্রভুর কাছে আমাকে ফিরিয়ে নেয়া হয় তবে আমি তো নিশ্চয়ই এর চেয়েও ভাল প্রত্যাবর্তনস্থল পাব।’’—জহুরুল হক
এবং আমি মনে করি না যে, কেয়ামত অনুষ্ঠিত হবে। যদি কখনও আমার পালনকর্তার কাছে আমাকে পৌঁছে দেয়া হয়, তবে সেখানে এর চাইতে উৎকৃষ্ট পাব।—মুহিউদ্দীন খান
And I do not think the Hour will occur. And even if I should be brought back to my Lord, I will surely find better than this as a return."—Saheeh International
قَالَ لَهُ صَاحِبُهُ وَهُوَ يُحَاوِرُهُ أَكَفَرْتَ بِالَّذِي خَلَقَكَ مِنْ تُرَابٍ ثُمَّ مِنْ نُطْفَةٍ ثُمَّ سَوَّاكَ رَجُلًا١٨:٣٧
১৮:৩৭
18:37
তার সঙ্গী তাকে বললে যখন সে তার সঙ্গে বাক্যালাপ করছিল -- ''তুমি কি তাঁকে অবিশ্বাস কর যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন মাটি থেকে, তারপর শুক্রকীট থেকে, তারপর তিনি তোমাকে পূর্ণাঙ্গ করেছেন একজন মানুষে?—জহুরুল হক
তার সঙ্গী তাকে কথা প্রসঙ্গে বললঃ তুমি তাঁকে অস্বীকার করছ, যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন মাটি থেকে, অতঃপর বীর্য থেকে, অতঃপর র্পূনাঙ্গ করেছেন তোমাকে মানবাকৃতিতে?—মুহিউদ্দীন খান
His companion said to him while he was conversing with him, "Have you disbelieved in He who created you from dust and then from a sperm-drop and then proportioned you [as] a man?—Saheeh International
لَـٰكِنَّا هُوَ اللَّهُ رَبِّي وَلَا أُشْرِكُ بِرَبِّي أَحَدًا١٨:٣٨
১৮:৩৮
18:38
''কিন্তু আমার বেলা, তিনি আল্লাহ্, আমার প্রভু, আর আমি কোনো একজনকেও আমার প্রভুর সাথে শরিক করি না।—জহুরুল হক
কিন্তু আমি তো একথাই বলি, আল্লাহই আমার পালনকর্তা এবং আমি কাউকে আমার পালনকর্তার শরীক মানি না।—মুহিউদ্দীন খান
But as for me, He is Allah, my Lord, and I do not associate with my Lord anyone.—Saheeh International
وَلَوْلَا إِذْ دَخَلْتَ جَنَّتَكَ قُلْتَ مَا شَاءَ اللَّهُ لَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ ۚ إِنْ تَرَنِ أَنَا أَقَلَّ مِنْكَ مَالًا وَوَلَدًا١٨:٣٩
১৮:৩৯
18:39
''আর তুমি যখন তোমার বাগানে প্রবেশ করতে তখন কেন বল না -- 'মা-শা-আল্লাহ্, আল্লাহ্ ছাড়া কোনো শক্তি নেই’? যদিও তুমি আমাকে দেখো ধনদৌলত ও সন্তানসন্ততিতে আমি তোমার চাইতে কম, --—জহুরুল হক
যদি তুমি আমাকে ধনে ও সন্তানে তোমার চাইতে কম দেখ, তবে যখন তুমি তোমার বাগানে প্রবেশ করলে, তখন একথা কেন বললে না; আল্লাহ যা চান, তাই হয়। আল্লাহর দেয়া ব্যতীত কোন শক্তি নেই।—মুহিউদ্দীন খান
And why did you, when you entered your garden, not say, 'What Allah willed [has occurred]; there is no power except in Allah '? Although you see me less than you in wealth and children,—Saheeh International
فَعَسَىٰ رَبِّي أَنْ يُؤْتِيَنِ خَيْرًا مِنْ جَنَّتِكَ وَيُرْسِلَ عَلَيْهَا حُسْبَانًا مِنَ السَّمَاءِ فَتُصْبِحَ صَعِيدًا زَلَقًا١٨:٤٠
১৮:৪০
18:40
''তবু হতে পারে আমার প্রভু আমাকে তোমার বাগানের চেয়ে ভাল কিছু দান করবেন, আর এর উপরে তিনি পাঠাবেন আকাশ থেকে এক হিসেব-নিকেশ, ফলে অচিরেই এটি হয়ে যাবে ধুলোমাটির প্রান্তর, গাছপালাহীন।—জহুরুল হক
আশাকরি আমার পালকর্তা আমাকে তোমার বাগান অপেক্ষা উৎকৃষ্টতর কিছু দেবেন এবং তার (তোমার বাগানের) উপর আসমান থেকে আগুন প্রেরণ করবেন। অতঃপর সকাল বেলায় তা পরিষ্কার ময়দান হয়ে যাবে।—মুহিউদ্দীন খান
It may be that my Lord will give me [something] better than your garden and will send upon it a calamity from the sky, and it will become a smooth, dusty ground,—Saheeh International
أَوْ يُصْبِحَ مَاؤُهَا غَوْرًا فَلَنْ تَسْتَطِيعَ لَهُ طَلَبًا١٨:٤١
১৮:৪১
18:41
''অথবা অচিরেই এর পানি তলিয়ে যাবে ভূগর্ভে, তখন তুমি তা খুঁজে পেতে সমর্থ হবে না।’’—জহুরুল হক
অথবা সকালে তার পানি শুকিয়ে যাবে। অতঃপর তুমি তা তালাশ করে আনতে পারবে না।—মুহিউদ্দীন খান
Or its water will become sunken [into the earth], so you would never be able to seek it."—Saheeh International
وَأُحِيطَ بِثَمَرِهِ فَأَصْبَحَ يُقَلِّبُ كَفَّيْهِ عَلَىٰ مَا أَنْفَقَ فِيهَا وَهِيَ خَاوِيَةٌ عَلَىٰ عُرُوشِهَا وَيَقُولُ يَا لَيْتَنِي لَمْ أُشْرِكْ بِرَبِّي أَحَدًا١٨:٤٢
১৮:৪২
18:42
আর তার ফলফসলকে ঘেরাও করল, তারপর অচিরেই সে হাত মোচড়াতে লাগল যা সে তার উপরে খরচ করেছিল সেজন্য, আর এটি ভেঙ্গে পড়েছিল তার মাচার উপরে, আর সে বলেছিল -- ''হায় আমার আফসোস! আমি যদি আমার প্রভুর সাথে কাউকেও অংশী না করতাম!’’—জহুরুল হক
অতঃপর তার সব ফল ধ্বংস হয়ে গেল এবং সে তাতে যা ব্যয় করেছিল, তার জন্য সকালে হাত কচলিয়ে আক্ষেপ করতে লাগল। বাগনটি কাঠসহ পুড়ে গিয়েছিল। সে বলতে লাগলঃ হায়, আমি যদি কাউকে আমার পালনকর্তার সাথে শরীক না করতাম।—মুহিউদ্দীন খান
And his fruits were encompassed [by ruin], so he began to turn his hands about [in dismay] over what he had spent on it, while it had collapsed upon its trellises, and said, "Oh, I wish I had not associated with my Lord anyone."—Saheeh International
وَلَمْ تَكُنْ لَهُ فِئَةٌ يَنْصُرُونَهُ مِنْ دُونِ اللَّهِ وَمَا كَانَ مُنْتَصِرًا١٨:٤٣
১৮:৪৩
18:43
আর আল্লাহ্কে ছেড়ে দিয়ে তাকে সাহায্য করার জন্য কোনো ফৌজ তার জন্য ছিল না, আর সে নিজেও সাহায্য করতে সমর্থ ছিল না।—জহুরুল হক
আল্লাহ ব্যতীত তাকে সাহায্য করার কোন লোক হল না এবং সে নিজেও প্রতিকার করতে পারল না।—মুহিউদ্দীন খান
And there was for him no company to aid him other than Allah, nor could he defend himself.—Saheeh International
هُنَالِكَ الْوَلَايَةُ لِلَّهِ الْحَقِّ ۚ هُوَ خَيْرٌ ثَوَابًا وَخَيْرٌ عُقْبًا١٨:٤٤
১৮:৪৪
18:44
এই তো! অভিভাবকত্ব আল্লাহ্রই, যিনি সত্য। তিনিই পুরস্কারদানে শ্রেষ্ঠ আর পরিণাম নির্ধারণেও শ্রেষ্ঠ।—জহুরুল হক
এরূপ ক্ষেত্রে সব অধিকার সত্য আল্লাহর। তারই পুরস্কার উত্তম এবং তারই প্রদত্ত প্রতিদান শ্রেষ্ঠ।—মুহিউদ্দীন খান
There the authority is [completely] for Allah, the Truth. He is best in reward and best in outcome.—Saheeh International
وَاضْرِبْ لَهُمْ مَثَلَ الْحَيَاةِ الدُّنْيَا كَمَاءٍ أَنْزَلْنَاهُ مِنَ السَّمَاءِ فَاخْتَلَطَ بِهِ نَبَاتُ الْأَرْضِ فَأَصْبَحَ هَشِيمًا تَذْرُوهُ الرِّيَاحُ ۗ وَكَانَ اللَّهُ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ مُقْتَدِرًا١٨:٤٥
১৮:৪৫
18:45
আর তাদের কাছে পার্থিব জীবনের উপমা ছুঁড়ো -- এ পানির ন্যায় যা আমরা বর্ষণ করি আকাশ থেকে, তাতে পৃথিবীর গাছপালা ঘন-সন্নিবিষ্ট হয়, তারপর পরক্ষণেই তা হয়ে যায় শুকনো, বাতাস তাকে উড়িয়ে নিয়ে যায়। আর আল্লাহ্ সব কিছুর উপরেই সর্বশক্তিমান।—জহুরুল হক
তাদের কাছে পার্থিব জীবনের উপমা বর্ণনা করুন। তা পানির ন্যায়, যা আমি আকাশ থেকে নাযিল করি। অতঃপর এর সংমিশ্রণে শ্যামল সবুজ ভূমিজ লতা-পাতা নির্গত হয়; অতঃপর তা এমন শুস্ক চুর্ণ-বিচুর্ণ হয় যে, বাতাসে উড়ে যায়। আল্লাহ এ সবকিছুর উপর শক্তিমান।—মুহিউদ্দীন খান
And present to them the example of the life of this world, [its being] like rain which We send down from the sky, and the vegetation of the earth mingles with it and [then] it becomes dry remnants, scattered by the winds. And Allah is ever, over all things, Perfect in Ability.—Saheeh International
الْمَالُ وَالْبَنُونَ زِينَةُ الْحَيَاةِ الدُّنْيَا ۖ وَالْبَاقِيَاتُ الصَّالِحَاتُ خَيْرٌ عِنْدَ رَبِّكَ ثَوَابًا وَخَيْرٌ أَمَلًا١٨:٤٦
১৮:৪৬
18:46
ধনসম্পদ ও সন্তানসন্ততি পার্থিব জীবনের শোভাসৌন্দর্য, কিন্তু স্থায়ী শুভকর্ম তোমার প্রভুর কাছে পুরস্কার প্রাপ্তির জন্যে বেশী ভাল এবং আশা পূরণের জন্যেও অধিকতর শ্রেয়।—জহুরুল হক
ধনৈশ্বর্য ও সন্তান-সন্ততি পার্থিব জীবনের সৌন্দর্য এবং স্থায়ী সৎকর্মসমূহ আপনার পালনকর্তার কাছে প্রতিদান প্রাপ্তি ও আশা লাভের জন্যে উত্তম।—মুহিউদ্দীন খান
Wealth and children are [but] adornment of the worldly life. But the enduring good deeds are better to your Lord for reward and better for [one's] hope.—Saheeh International
وَيَوْمَ نُسَيِّرُ الْجِبَالَ وَتَرَى الْأَرْضَ بَارِزَةً وَحَشَرْنَاهُمْ فَلَمْ نُغَادِرْ مِنْهُمْ أَحَدًا١٨:٤٧
১৮:৪৭
18:47
আর সেই দিনে আমরা পাহাড়গুলো হটিয়ে দেব, আর তুমি পৃথিবীকে দেখবে একটি খোলা ময়দান, আর আমরা তাদের একত্রিত করব, তখন তাদের মধ্যের কোনো একজনকেও আমরা ফেলে রাখব না --—জহুরুল হক
যেদিন আমি পর্বতসমূহকে পরিচালনা করব এবং আপনি পৃথিবীকে দেখবেন একটি উম্মুক্ত প্রান্তর এবং আমি মানুষকে একত্রিত করব অতঃপর তাদের কাউকে ছাড়ব না।—মুহিউদ্দীন খান
And [warn of] the Day when We will remove the mountains and you will see the earth prominent, and We will gather them and not leave behind from them anyone.—Saheeh International
وَعُرِضُوا عَلَىٰ رَبِّكَ صَفًّا لَقَدْ جِئْتُمُونَا كَمَا خَلَقْنَاكُمْ أَوَّلَ مَرَّةٍ ۚ بَلْ زَعَمْتُمْ أَلَّنْ نَجْعَلَ لَكُمْ مَوْعِدًا١٨:٤٨
১৮:৪৮
18:48
আর তোমার প্রভুর সামনে তাদের হাজির করা হবে সারিবদ্ধভাবে। ''এখন তো আমরা তোমাদের নিয়ে এসেছি যেমন আমরা তোমাদের সৃষ্টি করেছিলাম প্রথমবারে, অথচ তোমরা মনে করতে যে তোমাদের জন্য আমরা কোনো ওয়াদার স্থানকাল কখনো ধার্য করব না।’’—জহুরুল হক
তারা আপনার পালনকর্তার সামনে পেশ হবে সারিবদ্ধ ভাবে এবং বলা হবেঃ তোমরা আমার কাছে এসে গেছ; যেমন তোমাদেরকে প্রথম বার সৃষ্টি করেছিলাম। না, তোমরা তো বলতে যে, আমি তোমাদের জন্যে কোন প্রতিশ্রুত সময় নির্দিষ্ট করব না।—মুহিউদ্দীন খান
And they will be presented before your Lord in rows, [and He will say], "You have certainly come to Us just as We created you the first time. But you claimed that We would never make for you an appointment."—Saheeh International
وَوُضِعَ الْكِتَابُ فَتَرَى الْمُجْرِمِينَ مُشْفِقِينَ مِمَّا فِيهِ وَيَقُولُونَ يَا وَيْلَتَنَا مَالِ هَـٰذَا الْكِتَابِ لَا يُغَادِرُ صَغِيرَةً وَلَا كَبِيرَةً إِلَّا أَحْصَاهَا ۚ وَوَجَدُوا مَا عَمِلُوا حَاضِرًا ۗ وَلَا يَظْلِمُ رَبُّكَ أَحَدًا١٨:٤٩
১৮:৪৯
18:49
আর বইখানা ধরা হবে, তখন তুমি দেখবে -- ওতে যা আছে সেজন্য অপরাধীরা আতংকগ্রস্ত, আর তারা বলবে -- ''হায় আমাদের দুর্ভোগ! এ কেমনতর গ্রন্থ! এ ছোটখাটো বাদ দেয় নি আর বড়গুলো তো নয়ই, বরং সমস্ত কিছু নথিভুক্ত করেছে!’’ আর তারা যা করেছে তা হাজির পাবে। আর তোমার প্রভু কোনো একজনের প্রতিও অন্যায় করেন না।—জহুরুল হক
আর আমলনামা সামনে রাখা হবে। তাতে যা আছে; তার কারণে আপনি অপরাধীদেরকে ভীত-সন্ত্রস্ত দেখবেন। তারা বলবেঃ হায় আফসোস, এ কেমন আমলনামা। এ যে ছোট বড় কোন কিছুই বাদ দেয়নি-সবই এতে রয়েছে। তারা তাদের কৃতকর্মকে সামনে উপস্থিত পাবে। আপনার পালনকর্তা কারও প্রতি জুলুম করবেন না।—মুহিউদ্দীন খান
And the record [of deeds] will be placed [open], and you will see the criminals fearful of that within it, and they will say, "Oh, woe to us! What is this book that leaves nothing small or great except that it has enumerated it?" And they will find what they did present [before them]. And your Lord does injustice to no one.—Saheeh International
وَإِذْ قُلْنَا لِلْمَلَائِكَةِ اسْجُدُوا لِآدَمَ فَسَجَدُوا إِلَّا إِبْلِيسَ كَانَ مِنَ الْجِنِّ فَفَسَقَ عَنْ أَمْرِ رَبِّهِ ۗ أَفَتَتَّخِذُونَهُ وَذُرِّيَّتَهُ أَوْلِيَاءَ مِنْ دُونِي وَهُمْ لَكُمْ عَدُوٌّ ۚ بِئْسَ لِلظَّالِمِينَ بَدَلًا١٨:٥٠
১৮:৫০
18:50
আর স্মরণ করো! আমরা ফিরিশ্তাদের বললাম -- ''আদমের প্রতি সিজদা করো’’, তখন তারা সিজদা করল, ইবলিস ব্যতীত। সে ছিল জিনদের মধ্যেকার, কাজেই সে তার প্রভুর আদেশের অবাধ্যাচরণ করেছিল। তবে কি তোমরা আমাকে ছেড়ে দিয়ে তাকে ও তার বংশধরকে অভিভাবকরূপে গ্রহণ করবে, অথচ তারা তো তোমাদের শত্রু? অন্যায়কারীদের জন্য এই বিনিময় কত নিকৃষ্ট!—জহুরুল হক
যখন আমি ফেরেশতাদেরকে বললামঃ আদমকে সেজদা কর, তখন সবাই সেজদা করল ইবলীস ব্যতীত। সে ছিল জিনদের একজন। সে তার পালনকর্তার আদেশ অমান্য করল। অতএব তোমরা কি আমার পরিবর্তে তাকে এবং তার বংশধরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করছ? অথচ তারা তোমাদের শত্রু। এটা জালেমদের জন্যে খুবই নিকৃষ্ট বদল।—মুহিউদ্দীন খান
And [mention] when We said to the angels, "Prostrate to Adam," and they prostrated, except for Iblees. He was of the jinn and departed from the command of his Lord. Then will you take him and his descendants as allies other than Me while they are enemies to you? Wretched it is for the wrongdoers as an exchange.—Saheeh International
مَا أَشْهَدْتُهُمْ خَلْقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَلَا خَلْقَ أَنْفُسِهِمْ وَمَا كُنْتُ مُتَّخِذَ الْمُضِلِّينَ عَضُدًا١٨:٥١
১৮:৫১
18:51
মহাকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টিকালে আমি ওদের সাক্ষি দিতে ডাকি নি, আর তাদের নিজেদের সৃষ্টিকালেও নয়, আর বিপথে চালনাকারীদের আমি সহায়করূপে গ্রহণ করি না।—জহুরুল হক
নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলের সৃজনকালে আমি তাদেরকে সাক্ষ্য রাখিনি এবং তাদের নিজেদের সৃজনকালেও না। এবং আমি এমনও নই যে, বিভ্রান্ত কারীদেরকে সাহায্যকারীরূপে গ্রহণ করবো।—মুহিউদ্দীন খান
I did not make them witness to the creation of the heavens and the earth or to the creation of themselves, and I would not have taken the misguiders as assistants.—Saheeh International
وَيَوْمَ يَقُولُ نَادُوا شُرَكَائِيَ الَّذِينَ زَعَمْتُمْ فَدَعَوْهُمْ فَلَمْ يَسْتَجِيبُوا لَهُمْ وَجَعَلْنَا بَيْنَهُمْ مَوْبِقًا١٨:٥٢
১৮:৫২
18:52
আর সেদিন তিনি বলবেন -- ''ডাকো আমার সঙ্গিসাথীদের যাদের তোমরা ভাবতে।’’ সুতরাং তারা তাদের ডাকবে, কিন্তু তারা তাদের প্রতি সাড়া দেবে না, আর আমরা তাদের মধ্যখানে স্থাপন করব এক ব্যবধান।—জহুরুল হক
যেদিন তিনি বলবেনঃ তোমরা যাদেরকে আমার শরীক মনে করতে তাদেরকে ডাক। তারা তখন তাদেরকে ডাকবে, কিন্তু তারা এ আহবানে সাড়া দেবে না। আমি তাদের মধ্যস্থলে রেখে দেব একটি মৃত্যু গহবর।—মুহিউদ্দীন খান
And [warn of] the Day when He will say, "Call 'My partners' whom you claimed," and they will invoke them, but they will not respond to them. And We will put between them [a valley of] destruction.—Saheeh International
وَرَأَى الْمُجْرِمُونَ النَّارَ فَظَنُّوا أَنَّهُمْ مُوَاقِعُوهَا وَلَمْ يَجِدُوا عَنْهَا مَصْرِفًا١٨:٥٣
১৮:৫৩
18:53
আর অপরাধীরা আগুন দেখতে পাবে, আর তারা বুঝবে যে তারা নিশ্চয়ই এতে পতিত হচ্ছে, আর তা থেকে তারা কোনো পরিত্রাণ পাবে না।—জহুরুল হক
অপরাধীরা আগুন দেখে বোঝে নেবে যে, তাদেরকে তাতে পতিত হতে হবে এবং তারা তা থেকে রাস্তা পরিবর্তন করতে পারবে না।—মুহিউদ্দীন খান
And the criminals will see the Fire and will be certain that they are to fall therein. And they will not find from it a way elsewhere.—Saheeh International
وَلَقَدْ صَرَّفْنَا فِي هَـٰذَا الْقُرْآنِ لِلنَّاسِ مِنْ كُلِّ مَثَلٍ ۚ وَكَانَ الْإِنْسَانُ أَكْثَرَ شَيْءٍ جَدَلًا١٨:٥٤
১৮:৫৪
18:54
আর আমরা আলবৎ এই কুরআনে লোকেদের জন্য সব রকমের দৃষ্টান্ত বিশদভাবে ব্যাখ্যা করেছি। আর মানুষ বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই বিতর্কপ্রিয়।—জহুরুল হক
নিশ্চয় আমি এ কোরআনে মানুষকে নানাভাবে বিভিন্ন উপমার দ্বারা আমার বাণী বুঝিয়েছি। মানুষ সব বস্তু থেকে অধিক তর্কপ্রিয়।—মুহিউদ্দীন খান
And We have certainly diversified in this Qur'an for the people from every [kind of] example; but man has ever been, most of anything, [prone to] dispute.—Saheeh International
وَمَا مَنَعَ النَّاسَ أَنْ يُؤْمِنُوا إِذْ جَاءَهُمُ الْهُدَىٰ وَيَسْتَغْفِرُوا رَبَّهُمْ إِلَّا أَنْ تَأْتِيَهُمْ سُنَّةُ الْأَوَّلِينَ أَوْ يَأْتِيَهُمُ الْعَذَابُ قُبُلًا١٨:٥٥
১৮:৫৫
18:55
আর এমন কিছু মানুষকে বাধা দেয় না বিশ্বাস স্থাপন করতে যখন তাদের কাছে পথনির্দেশ আসে এবং তাদের প্রভুর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতেও, এ ভিন্ন যে তাদের কাছেও আসুক পূর্ববর্তীদের ঘটনাবলী, অথবা আগেভাগেই তাদের উপরে শাস্তিটা যেন এসে পড়ে।—জহুরুল হক
হেদায়েত আসার পর এ প্রতীক্ষাই শুধু মানুষকে বিশ্বাস স্থাপন করতে এবং তাদের পালনকর্তার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে বিরত রাখে যে, কখন আসবে তাদের কাছে পূর্ববর্তীদের রীতিনীতি অথবা কখন আসবে তাদের কাছেআযাব সামনাসামনি।—মুহিউদ্দীন খান
And nothing has prevented the people from believing when guidance came to them and from asking forgiveness of their Lord except that there [must] befall them the [accustomed] precedent of the former peoples or that the punishment should come [directly] before them.—Saheeh International
وَمَا نُرْسِلُ الْمُرْسَلِينَ إِلَّا مُبَشِّرِينَ وَمُنْذِرِينَ ۚ وَيُجَادِلُ الَّذِينَ كَفَرُوا بِالْبَاطِلِ لِيُدْحِضُوا بِهِ الْحَقَّ ۖ وَاتَّخَذُوا آيَاتِي وَمَا أُنْذِرُوا هُزُوًا١٨:٥٦
১৮:৫৬
18:56
আর আমরা রসূলগণকে পাঠাই না সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারীরূপে ভিন্ন, আর যারা অবিশ্বাস পোষণ করে তারা মিথ্যার সাহায্যে বিতর্ক করে যেন তার দ্বারা তারা সত্যকে ব্যর্থ করতে পারে, আর আমার বাণীসমূহ ও যা দিয়ে তাদের সতর্ক করা হয়েছে সে-সবকে তারা বিদ্রূপের বিষয় রূপে গ্রহণ করে থাকে।—জহুরুল হক
আমি রাসূলগনকে সুসংবাদ দাতা ও ভয় প্রদর্শন কারীরূপেই প্রেরণ করি এবং কাফেররাই মিথ্যা অবলম্বনে বিতর্ক করে, তা দ্বারা সত্যকে ব্যর্থ করে দেয়ার উদ্দেশে এবং তারা আমার নিদর্শনাবলীও যদ্বারা তাদেরকে ভয় প্রদর্শন করা হয়, সেগুলোকে ঠাট্টারূপে গ্রহণ করেছে।—মুহিউদ্দীন খান
And We send not the messengers except as bringers of good tidings and warners. And those who disbelieve dispute by [using] falsehood to [attempt to] invalidate thereby the truth and have taken My verses, and that of which they are warned, in ridicule.—Saheeh International
وَمَنْ أَظْلَمُ مِمَّنْ ذُكِّرَ بِآيَاتِ رَبِّهِ فَأَعْرَضَ عَنْهَا وَنَسِيَ مَا قَدَّمَتْ يَدَاهُ ۚ إِنَّا جَعَلْنَا عَلَىٰ قُلُوبِهِمْ أَكِنَّةً أَنْ يَفْقَهُوهُ وَفِي آذَانِهِمْ وَقْرًا ۖ وَإِنْ تَدْعُهُمْ إِلَى الْهُدَىٰ فَلَنْ يَهْتَدُوا إِذًا أَبَدًا١٨:٥٧
১৮:৫৭
18:57
আর কে বেশী অন্যায়কারী তার চাইতে যাকে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয় তার প্রভুর বাণীসমূহ, কিন্তু সে তা থেকে ফিরে যায় আর ভুলে যায় তার হাত দুখানা কী আগবাড়িয়েছিল? নিঃসন্দেহ আমরা তাদের হৃদয়ের উপরে আবরণ স্থাপন ক রেছি পাছে তারা এটি বুঝতে পারে, আর তাদের কানের ভেতরে বধিরতা। আর তুমি যদি তাদের সৎপথের প্রতি আহান করো তারা সেক্ষেত্রে কখনো সৎপথের দিকে চলবে না।—জহুরুল হক
তার চাইতে অধিক জালেম কে, যাকে তার পালনকর্তার কালাম দ্বারা বোঝানো হয়, অতঃপর সে তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং তার পূর্ববর্তী কৃতকর্মসমূহ ভুলে যায়? আমি তাদের অন্তরের উপর পর্দা রেখে দিয়েছি, যেন তা না বোঝে এবং তাদের কানে রয়েছে বধিরতার বোঝা। যদি আপনি তাদেরকে সৎপথের প্রতি দাওয়াত দেন, তবে কখনই তারা সৎপথে আসবে না।—মুহিউদ্দীন খান
And who is more unjust than one who is reminded of the verses of his Lord but turns away from them and forgets what his hands have put forth? Indeed, We have placed over their hearts coverings, lest they understand it, and in their ears deafness. And if you invite them to guidance - they will never be guided, then - ever.—Saheeh International
وَرَبُّكَ الْغَفُورُ ذُو الرَّحْمَةِ ۖ لَوْ يُؤَاخِذُهُمْ بِمَا كَسَبُوا لَعَجَّلَ لَهُمُ الْعَذَابَ ۚ بَلْ لَهُمْ مَوْعِدٌ لَنْ يَجِدُوا مِنْ دُونِهِ مَوْئِلًا١٨:٥٨
১৮:৫৮
18:58
আর তোমরা প্রভু পরিত্রাণকারী, করুণার আধার। তারা যা অর্জন করেছে সেজন্য তিনি যদি তাদের পাকড়াও করতেন তাহলে তিনি নিশ্চয়ই তাদের জন্য শাস্তি ত্বরান্বিত করতেন। কিন্তু তাদের জন্য একটি নির্ধারিত কাল রয়েছে যার তেকে তারা কোনো পরিত্রাণ খুঁজে পাবে না।—জহুরুল হক
আপনার পালনকর্তা ক্ষমাশীল, দয়ালু, যদি তিনি তাদেরকে তাদের কৃতকর্মের জন্যে পাকড়াও করেন তবে তাদের শাস্তি ত্বরাম্বিত করতেন, কিন্তু তাদের জন্য রয়েছে একটি প্রতিশ্রুত সময়, যা থেকে তারা সরে যাওয়ার জায়গা পাবে না।—মুহিউদ্দীন খান
And your Lord is the Forgiving, full of mercy. If He were to impose blame upon them for what they earned, He would have hastened for them the punishment. Rather, for them is an appointment from which they will never find an escape.—Saheeh International
وَتِلْكَ الْقُرَىٰ أَهْلَكْنَاهُمْ لَمَّا ظَلَمُوا وَجَعَلْنَا لِمَهْلِكِهِمْ مَوْعِدًا١٨:٥٩
১৮:৫৯
18:59
আর ঐ সব জনপদ -- আমরা ওদের ধ্বংস করেছিলাম যখন তারা অন্যায়াচরণ করেছিল, আর ওদের ধ্বংসের জন্য আমরা একটি নির্দিষ্ট সময় স্থির করেছিলাম।—জহুরুল হক
এসব জনপদও তাদেরকে আমি ধংস করে দিয়েছি, যখন তারা জালেম হয়ে গিয়েছিল এবং আমি তাদের ধ্বংসের জন্যে একটি প্রতিশ্রুত সময় নির্দিষ্ট করেছিলাম।—মুহিউদ্দীন খান
And those cities - We destroyed them when they wronged, and We made for their destruction an appointed time.—Saheeh International
وَإِذْ قَالَ مُوسَىٰ لِفَتَاهُ لَا أَبْرَحُ حَتَّىٰ أَبْلُغَ مَجْمَعَ الْبَحْرَيْنِ أَوْ أَمْضِيَ حُقُبًا١٨:٦٠
১৮:৬০
18:60
আর স্মরণ করো! মূসা তাঁর ভৃত্যকে বললেন -- ''আমি থামব না যে পর্যন্ত না আমি দুই নদীর সঙ্গমস্থলে পৌঁছি, নতুবা আমি যুগ যুগ ধরে চলতে থাকব।’’—জহুরুল হক
যখন মূসা তাঁর যুবক (সঙ্গী) কে বললেনঃ দুই সমুদ্রের সঙ্গমস্থলে না পৌছা পর্যন্ত আমি আসব না অথবা আমি যুগ যুগ ধরে চলতে থাকব।—মুহিউদ্দীন খান
And [mention] when Moses said to his servant, "I will not cease [traveling] until I reach the junction of the two seas or continue for a long period."—Saheeh International
فَلَمَّا بَلَغَا مَجْمَعَ بَيْنِهِمَا نَسِيَا حُوتَهُمَا فَاتَّخَذَ سَبِيلَهُ فِي الْبَحْرِ سَرَبًا١٨:٦١
১৮:৬১
18:61
এরপর যখন উভয়ে এ দুইয়ের সঙ্গমস্থলে পৌঁছলেন, তাঁরা তাঁদের মাছের কথা ভুলে গেলেন, কাজেই ফাঁক পেয়ে এটি নদীতে তার পথ ধরল।—জহুরুল হক
অতঃপর যখন তাঁরা দুই সুমুদ্রের সঙ্গমস্থলে পৌছালেন, তখন তাঁরা নিজেদের মাছের কথা ভুলে গেলেন। অতঃপর মাছটি সমুদ্রে সুড়ঙ্গ পথ সৃষ্টি করে নেমে গেল।—মুহিউদ্দীন খান
But when they reached the junction between them, they forgot their fish, and it took its course into the sea, slipping away.—Saheeh International
فَلَمَّا جَاوَزَا قَالَ لِفَتَاهُ آتِنَا غَدَاءَنَا لَقَدْ لَقِينَا مِنْ سَفَرِنَا هَـٰذَا نَصَبًا١٨:٦٢
১৮:৬২
18:62
তাঁরা যখন এগিয়ে গেলেন তখন তিনি তাঁর ভৃত্যকে বললেন, ''আমাদের সকালের খাবার আমাদের জন্য নিয়ে এস, আমাদের এই সফর থেকে আমরা আলবৎ পরিশ্রান্ত হয়ে পড়েছি।’’—জহুরুল হক
যখন তাঁরা সে স্থানটি অতিক্রম করে গেলেন, মূসা সঙ্গী কে বললেনঃ আমাদের নাশতা আন। আমরা এই সফরে পরিশ্রান্ত হয়ে পড়েছি।—মুহিউদ্দীন খান
So when they had passed beyond it, [Moses] said to his boy, "Bring us our morning meal. We have certainly suffered in this, our journey, [much] fatigue."—Saheeh International
قَالَ أَرَأَيْتَ إِذْ أَوَيْنَا إِلَى الصَّخْرَةِ فَإِنِّي نَسِيتُ الْحُوتَ وَمَا أَنْسَانِيهُ إِلَّا الشَّيْطَانُ أَنْ أَذْكُرَهُ ۚ وَاتَّخَذَ سَبِيلَهُ فِي الْبَحْرِ عَجَبًا١٨:٦٣
১৮:৬৩
18:63
সে বললে -- ''আপনি কি লক্ষ্য করেছেন, আমরা যখন পাথরের উপরে বিশ্রাম করছিলাম তখন আমি মাছের কথা ভুলে গিয়েছিলাম, আর এটি শয়তান ছাড়া আর কেউ নয় যে আমাকে ভুলিয়ে দিয়েছিল ওর কথা উল্লেখ করতে? আর সেটি নদীতে তার পথ ধরেছিল, আশ্চর্য ব্যাপার!’’—জহুরুল হক
সে বললঃ আপনি কি লক্ষ্য করেছেন, আমরা যখন প্রস্তর খন্ডে আশ্রয় নিয়েছিলাম, তখন আমি মাছের কথা ভুলে গিয়েছিলাম। শয়তানই আমাকে একথা স্মরণ রাখতে ভুলিয়ে দিয়েছিল। মাছটি আশ্চর্য জনক ভাবে সমুদ্রে নিজের পথ করে নিয়েছে।—মুহিউদ্দীন খান
He said, "Did you see when we retired to the rock? Indeed, I forgot [there] the fish. And none made me forget it except Satan - that I should mention it. And it took its course into the sea amazingly".—Saheeh International
قَالَ ذَٰلِكَ مَا كُنَّا نَبْغِ ۚ فَارْتَدَّا عَلَىٰ آثَارِهِمَا قَصَصًا١٨:٦٤
১৮:৬৪
18:64
তিনি বললেন -- ''এটিই আমরা চেয়েছিলাম।’’ সুতরাং তাঁরা নিজেদের পদচিহ্ন অনুসরণ করে ফিরে চললেন।—জহুরুল হক
মূসা বললেনঃ আমরা তো এ স্থানটিই খুঁজছিলাম। অতঃপর তাঁরা নিজেদের চিহ্ন ধরে ফিরে চললেন।—মুহিউদ্দীন খান
[Moses] said, "That is what we were seeking." So they returned, following their footprints.—Saheeh International
فَوَجَدَا عَبْدًا مِنْ عِبَادِنَا آتَيْنَاهُ رَحْمَةً مِنْ عِنْدِنَا وَعَلَّمْنَاهُ مِنْ لَدُنَّا عِلْمًا١٨:٦٥
১৮:৬৫
18:65
তারপর তাঁরা আমাদের বান্দাদের মধ্যের একজন বান্দাকে পেলেন যাকে আমরা আমাদের তরফ থেকে করুণা দান করেছিলাম এবং যাঁকে আমাদের তরফ থেকে জ্ঞান শিখিয়েছিলাম।—জহুরুল হক
অতঃপর তাঁরা আমার বান্দাদের মধ্যে এমন একজনের সাক্ষাত পেলেন, যাকে আমি আমার পক্ষ থেকে রহমত দান করেছিলাম ও আমার পক্ষ থেকে দিয়েছিলাম এক বিশেষ জ্ঞান।—মুহিউদ্দীন খান
And they found a servant from among Our servants to whom we had given mercy from us and had taught him from Us a [certain] knowledge.—Saheeh International
قَالَ لَهُ مُوسَىٰ هَلْ أَتَّبِعُكَ عَلَىٰ أَنْ تُعَلِّمَنِ مِمَّا عُلِّمْتَ رُشْدًا١٨:٦٦
১৮:৬৬
18:66
মূসা তাঁকে বললেন -- ''আমি কি আপনার অনুসরণ করব এই শর্তে যে সঠিক পথের সম্পর্কে যা আপনাকে শেখানো হয়েছে তা থেকে আপনি আমাকে শেখাবেন?’’—জহুরুল হক
মূসা তাঁকে বললেনঃ আমি কি এ শর্তে আপনার অনুসরণ করতে পারি যে, সত্যপথের যে জ্ঞান আপনাকে শেখানো হয়েছে, তা থেকে আমাকে কিছু শিক্ষা দেবেন?—মুহিউদ্দীন খান
Moses said to him, "May I follow you on [the condition] that you teach me from what you have been taught of sound judgement?"—Saheeh International
قَالَ إِنَّكَ لَنْ تَسْتَطِيعَ مَعِيَ صَبْرًا١٨:٦٧
১৮:৬৭
18:67
তিনি বললেন -- ''তুমি আমার সঙ্গে ধৈর্য ধারণ ক’রে থাকতে কখনো সক্ষম হবে না।—জহুরুল হক
তিনি বললেনঃ আপনি আমার সাথে কিছুতেই ধৈর্য্যধারণ করে থাকতে পারবেন না।—মুহিউদ্দীন খান
He said, "Indeed, with me you will never be able to have patience.—Saheeh International
وَكَيْفَ تَصْبِرُ عَلَىٰ مَا لَمْ تُحِطْ بِهِ خُبْرًا١٨:٦٨
১৮:৬৮
18:68
''আর তুমি কেমন করে ধৈর্য ধারণ করতে পারবে সেই বিষয়ে যে-সন্বন্ধে তোমার কোনো খোঁজখবর থাকে না?’’—জহুরুল হক
যে বিষয় বোঝা আপনার আয়ত্তাধীন নয়, তা দেখে আপনি ধৈর্য্যধারণ করবেন কেমন করে?—মুহিউদ্দীন খান
And how can you have patience for what you do not encompass in knowledge?"—Saheeh International
قَالَ سَتَجِدُنِي إِنْ شَاءَ اللَّهُ صَابِرًا وَلَا أَعْصِي لَكَ أَمْرًا١٨:٦٩
১৮:৬৯
18:69
তিনি বললেন -- ''ইন্ শা আল্লাহ্ আপনি আমাকে এখনি ধৈর্যশীল পবেন, এবং আমি কোনো বিষয়ে আপনাকে অমান্য করব না।’’—জহুরুল হক
মূসা বললেনঃ আল্লাহ চাহেন তো আপনি আমাকে ধৈর্য্যশীল পাবেন এবং আমি আপনার কোন আদেশ অমান্য করব না।—মুহিউদ্দীন খান
[Moses] said, "You will find me, if Allah wills, patient, and I will not disobey you in [any] order."—Saheeh International
قَالَ فَإِنِ اتَّبَعْتَنِي فَلَا تَسْأَلْنِي عَنْ شَيْءٍ حَتَّىٰ أُحْدِثَ لَكَ مِنْهُ ذِكْرًا١٨:٧٠
১৮:৭০
18:70
তিনি বললেন -- ''বেশ, তুমি যদি আমার অনুসরণ করতে চাও তা’হলে তুমি আমাকে কোনো বিষয়ে প্রশ্ন করতে পারবে না যে পর্যন্ত না আমি সে বিষয়ে মন্তব্য তোমার কাছে প্রকাশ করি।’’—জহুরুল হক
তিনি বললেনঃ যদি আপনি আমার অনুসরণ করেনই তবে কোন বিষয়ে আমাকে প্রশ্ন করবেন না, যে পর্যন্ত না আমি নিজেই সে সম্পর্কে আপনাকে কিছু বলি।—মুহিউদ্দীন খান
He said, "Then if you follow me, do not ask me about anything until I make to you about it mention."—Saheeh International
فَانْطَلَقَا حَتَّىٰ إِذَا رَكِبَا فِي السَّفِينَةِ خَرَقَهَا ۖ قَالَ أَخَرَقْتَهَا لِتُغْرِقَ أَهْلَهَا لَقَدْ جِئْتَ شَيْئًا إِمْرًا١٨:٧١
১৮:৭১
18:71
এর পর তাঁরা দুজন যাত্রা করলেন, পরে যখন তাঁরা একটি নৌকায় চড়লেন তিনি তাতে ছিদ্র করে দিলেন। তিনি বললেন, ''আপনি কি এতে ছিদ্র করলেন এর আরোহীদের ডুবিয়ে দেবার জন্যে? আপনি তো এক অদ্ভুত কাজ করলেন?’’—জহুরুল হক
অতঃপর তারা চলতে লাগলঃ অবশেষে যখন তারা নৌকায় আরোহণ করল, তখন তিনি তাতে ছিদ্র করে দিলেন। মূসা বললেনঃ আপনি কি এর আরোহীদেরকে ডুবিয়ে দেয়ার জন্যে এতে ছিদ্র করে দিলেন? নিশ্চয়ই আপনি একটি গুরুতর মন্দ কাজ করলেন।—মুহিউদ্দীন খান
So they set out, until when they had embarked on the ship, al-Khidh r tore it open. [Moses] said, "Have you torn it open to drown its people? You have certainly done a grave thing."—Saheeh International
قَالَ أَلَمْ أَقُلْ إِنَّكَ لَنْ تَسْتَطِيعَ مَعِيَ صَبْرًا١٨:٧٢
১৮:৭২
18:72
তিনি বললেন -- ''আমি কি বলি নি যে তুমি আমার সঙ্গে কখনো ধৈর্য ধারণ করতে সক্ষম হবে না?’’—জহুরুল হক
তিনি বললেনঃ আমি কি বলিনি যে, আপনি আমার সাথে কিছুতেই ধৈর্য্য ধরতে পারবেন না ?—মুহিউদ্দীন খান
[Al-Khidh r] said, "Did I not say that with me you would never be able to have patience?"—Saheeh International
قَالَ لَا تُؤَاخِذْنِي بِمَا نَسِيتُ وَلَا تُرْهِقْنِي مِنْ أَمْرِي عُسْرًا١٨:٧٣
১৮:৭৩
18:73
তিনি বললেন -- ''আমার অপরাধ নেবেন না যা আমি ভুলে গিয়েছিলাম সেজন্য, আর আমার ব্যাপারে আপনি আমার প্রতি কঠোর হবেন না।’’—জহুরুল হক
মূসা বললেনঃ আমাকে আমার ভুলের জন্যে অপরাধী করবেন না এবং আমার কাজে আমার উপর কঠোরতা আরোপ করবেন না।—মুহিউদ্দীন খান
[Moses] said, "Do not blame me for what I forgot and do not cover me in my matter with difficulty."—Saheeh International
فَانْطَلَقَا حَتَّىٰ إِذَا لَقِيَا غُلَامًا فَقَتَلَهُ قَالَ أَقَتَلْتَ نَفْسًا زَكِيَّةً بِغَيْرِ نَفْسٍ لَقَدْ جِئْتَ شَيْئًا نُكْرًا١٨:٧٤
১৮:৭৪
18:74
এরপর তাঁরা দুজনে চলতে লাগলেন, পরে যখন তাঁরা একটি বালকের সাক্ষাৎ পেলেন তিনি তাকে মেরে ফেললেন। তিনি বললেন -- ''আপনি কি একজন নির্দোষ লোককে হত্যা করলেন অন্য লোককে ছাড়াই? আপনি তো এক ভয়ানক কাজ করে ফেললেন?’’—জহুরুল হক
অতঃপর তারা চলতে লাগল। অবশেষে যখন একটি বালকের সাক্ষাত পেলেন, তখন তিনি তাকে হত্যা করলেন। মূসা বললেন? আপনি কি একটি নিস্পাপ জীবন শেষ করে দিলেন প্রাণের বিনিময় ছাড়াই? নিশ্চয়ই আপনি তো এক গুরুতর অন্যায় কাজ করলেন।—মুহিউদ্দীন খান
So they set out, until when they met a boy, al-Khidh r killed him. [Moses] said, "Have you killed a pure soul for other than [having killed] a soul? You have certainly done a deplorable thing."—Saheeh International
قَالَ أَلَمْ أَقُلْ لَكَ إِنَّكَ لَنْ تَسْتَطِيعَ مَعِيَ صَبْرًا١٨:٧٥
১৮:৭৫
18:75
তিনি বললেন -- ''আমি কি তোমাকে বলি নি যে তুমি আমার সঙ্গে কখনো ধৈর্য ধারণ করতে সক্ষম হবে না?’’—জহুরুল হক
তিনি বললেনঃ আমি কি বলিনি যে, আপনি আমার সাথে ধৈর্য্য ধরে থাকতে পারবেন না।—মুহিউদ্দীন খান
[Al-Khidh r] said, "Did I not tell you that with me you would never be able to have patience?"—Saheeh International
قَالَ إِنْ سَأَلْتُكَ عَنْ شَيْءٍ بَعْدَهَا فَلَا تُصَاحِبْنِي ۖ قَدْ بَلَغْتَ مِنْ لَدُنِّي عُذْرًا١٨:٧٦
১৮:৭৬
18:76
তিনি বললেন -- ''আমি যদি এর পরে কোনো ব্যাপারে আপনাকে প্রশ্ন করি তবে আপনি আমাকে সঙ্গে নেবেন না, আপনি অবশ্যই আমার সন্বন্ধে এক ওজর-আপত্তি পেয়ে যাবেন।’’—জহুরুল হক
মূসা বললেনঃ এরপর যদি আমি আপনাকে কোন বিষয়ে প্রশ্ন করি, তবে আপনি আমাকে সাথে রাখবেন না। আপনি আমার পক্ষ থেকে অভিযোগ মুক্ত হয়ে গেছেন।—মুহিউদ্দীন খান
[Moses] said, "If I should ask you about anything after this, then do not keep me as a companion. You have obtained from me an excuse."—Saheeh International
فَانْطَلَقَا حَتَّىٰ إِذَا أَتَيَا أَهْلَ قَرْيَةٍ اسْتَطْعَمَا أَهْلَهَا فَأَبَوْا أَنْ يُضَيِّفُوهُمَا فَوَجَدَا فِيهَا جِدَارًا يُرِيدُ أَنْ يَنْقَضَّ فَأَقَامَهُ ۖ قَالَ لَوْ شِئْتَ لَاتَّخَذْتَ عَلَيْهِ أَجْرًا١٨:٧٧
১৮:৭৭
18:77
তারপর তাঁরা দুজন চলতে লাগলেন যে পর্যন্ত না তাঁরা এসে পৌঁছলেন এক শহরের অধিবাসীদের কাছে, তাঁরা এর লোকদের কাছে খাবার চাইলেন, কিন্তু তারা এ দুজনের আতিথেয়তা করতে অস্বীকার করল। তারপর তাঁরা তাতে পেয়ে গেলেন একটি দেয়াল যা পড়ে যাবার উপক্রম করছিল, কাজেই তিনি তা খাড়া করে দিলেন। তিনি বললেন -- ''আপনি যদি চাইতেন তবে এর জন্যে অবশ্য পারিশ্রমিক গ্রহণ করতে পারতেন।’’—জহুরুল হক
অতঃপর তারা চলতে লাগল, অবশেষে যখন একটি জনপদের অধিবাসীদের কাছে পৌছে তাদের কাছে খাবার চাইল, তখন তারা তাদের অতিথেয়তা করতে অস্বীকার করল। অতঃপর তারা সেখানে একটি পতনোম্মুখ প্রাচীর দেখতে পেলেন, সেটি তিনি সোজা করে দাঁড় করিয়ে দিলেন। মূসা বললেনঃ আপনি ইচ্ছা করলে তাদের কাছ থেকে এর পারিশ্রমিক আদায় করতে পারতেন।—মুহিউদ্দীন খান
So they set out, until when they came to the people of a town, they asked its people for food, but they refused to offer them hospitality. And they found therein a wall about to collapse, so al-Khidh r restored it. [Moses] said, "If you wished, you could have taken for it a payment."—Saheeh International
قَالَ هَـٰذَا فِرَاقُ بَيْنِي وَبَيْنِكَ ۚ سَأُنَبِّئُكَ بِتَأْوِيلِ مَا لَمْ تَسْتَطِعْ عَلَيْهِ صَبْرًا١٨:٧٨
১৮:৭৮
18:78
তিনি বললেন -- ''এইবার আমার মধ্যে ও তোমার মধ্যে ছাড়াছাড়ি। আমি এখন জানিয়ে দিচ্ছি তাৎপর্য যে সন্বন্ধে তুমি ধৈর্য ধরতে পারছিলে না।—জহুরুল হক
তিনি বললেনঃ এখানেই আমার ও আপনার মধ্যে সম্পর্কচ্ছেদ হল। এখন যে বিষয়ে আপনি ধৈর্য্য ধরতে পারেননি, আমি তার তাৎপর্য বলে দিচ্ছি।—মুহিউদ্দীন খান
[Al-Khidh r] said, "This is parting between me and you. I will inform you of the interpretation of that about which you could not have patience.—Saheeh International
أَمَّا السَّفِينَةُ فَكَانَتْ لِمَسَاكِينَ يَعْمَلُونَ فِي الْبَحْرِ فَأَرَدْتُ أَنْ أَعِيبَهَا وَكَانَ وَرَاءَهُمْ مَلِكٌ يَأْخُذُ كُلَّ سَفِينَةٍ غَصْبًا١٨:٧٩
১৮:৭৯
18:79
''নৌকো সন্বন্ধে -- এ ছিল কয়েকজন গরীব লোকের যারা নদীতে কাজ করত, আর আমি এটিকে খুতঁময় করতে চেয়েছিলাম, কেননা তাদের পেছনে ছিল এক রাজা যে প্রত্যেক নৌকো জোর ক’রে নিয়ে নিচ্ছিল।—জহুরুল হক
নৌকাটির ব্যাপারে-সেটি ছিল কয়েকজন দরিদ্র ব্যক্তির। তারা সমুদ্রে জীবিকা অন্বেষন করত। আমি ইচ্ছা করলাম যে, সেটিকে ক্রটিযুক্ত করে দেই। তাদের অপরদিকে ছিল এক বাদশাহ। সে বলপ্রয়োগে প্রত্যেকটি নৌকা ছিনিয়ে নিত।—মুহিউদ্দীন খান
As for the ship, it belonged to poor people working at sea. So I intended to cause defect in it as there was after them a king who seized every [good] ship by force.—Saheeh International
وَأَمَّا الْغُلَامُ فَكَانَ أَبَوَاهُ مُؤْمِنَيْنِ فَخَشِينَا أَنْ يُرْهِقَهُمَا طُغْيَانًا وَكُفْرًا١٨:٨٠
১৮:৮০
18:80
''আর বালকটি সন্বন্ধে -- এর পিতামাতা ছিল মুমিন, আর আমরা আশংকা করছিলাম যে সে বিদ্রোহাচরণ ও অবিশ্বাস পোষণের ফলে তাদের ব্যতিব্যস্ত করবে,—জহুরুল হক
বালকটির ব্যাপার তার পিতা-মাতা ছিল ঈমানদার। আমি আশঙ্কা করলাম যে, সে অবাধ্যতা ও কুফর দ্বারা তাদেরকে প্রভাবিত করবে।—মুহিউদ্দীন খান
And as for the boy, his parents were believers, and we feared that he would overburden them by transgression and disbelief.—Saheeh International
فَأَرَدْنَا أَنْ يُبْدِلَهُمَا رَبُّهُمَا خَيْرًا مِنْهُ زَكَاةً وَأَقْرَبَ رُحْمًا١٨:٨١
১৮:৮১
18:81
''কাজেই আমরা চেয়েছিলাম তাদের প্রভু যেন তাদের জন্য বদলে দেন পবিত্রতায় এর চেয়ে ভাল এবং ভক্তি-ভালবাসায় ঘনিষ্ঠতর।—জহুরুল হক
অতঃপর আমি ইচ্ছা করলাম যে, তাদের পালনকর্তা তাদেরকে মহত্তর, তার চাইতে পবিত্রতায় ও ভালবাসায় ঘনিষ্ঠতর একটি শ্রেষ্ঠ সন্তান দান করুক।—মুহিউদ্দীন খান
So we intended that their Lord should substitute for them one better than him in purity and nearer to mercy.—Saheeh International
وَأَمَّا الْجِدَارُ فَكَانَ لِغُلَامَيْنِ يَتِيمَيْنِ فِي الْمَدِينَةِ وَكَانَ تَحْتَهُ كَنْزٌ لَهُمَا وَكَانَ أَبُوهُمَا صَالِحًا فَأَرَادَ رَبُّكَ أَنْ يَبْلُغَا أَشُدَّهُمَا وَيَسْتَخْرِجَا كَنْزَهُمَا رَحْمَةً مِنْ رَبِّكَ ۚ وَمَا فَعَلْتُهُ عَنْ أَمْرِي ۚ ذَٰلِكَ تَأْوِيلُ مَا لَمْ تَسْطِعْ عَلَيْهِ صَبْرًا١٨:٨٢
১৮:৮২
18:82
''আর দেয়াল সন্বন্ধে -- এ ছিল শহরের দুইজন এতিম বালকের, আর তার তলায় ছিল তাদের উভয়ের ধনভান্ডার, আর তাদের পিতা ছিল সজ্জন। কাজেই তোমার প্রভু চেয়েছিলেন যে তারা যেন তাদের সাবালকত্ব প্রাপ্ত হয় এবং তাদের ধনভান্ডার বের করে আনে তোমার প্রভুর তরফ থেকে করুণা হিসেবে, আর আমি এটি করি নি আমার নিজের ইচ্ছায়। এই হচ্ছে তার তাৎপর্য যে সন্বন্ধে তুমি ধৈর্যধারণ করতে পার নি।’’—জহুরুল হক
প্রাচীরের ব্যাপার-সেটি ছিল নগরের দুজন পিতৃহীন বালকের। এর নীচে ছিল তাদের গুপ্তধন এবং তাদের পিতা ছিল সৎকর্ম পরায়ন। সুতরাং আপনার পালনকর্তা দায়বশতঃ ইচ্ছা করলেন যে, তারা যৌবনে পদার্পন করুক এবং নিজেদের গুপ্তধন উদ্ধার করুক। আমি নিজ মতে এটা করিনি। আপনি যে বিষয়ে ধৈর্য্যধারণ করতে অক্ষম হয়েছিলেন, এই হল তার ব্যাখ্যা।—মুহিউদ্দীন খান
And as for the wall, it belonged to two orphan boys in the city, and there was beneath it a treasure for them, and their father had been righteous. So your Lord intended that they reach maturity and extract their treasure, as a mercy from your Lord. And I did it not of my own accord. That is the interpretation of that about which you could not have patience."—Saheeh International
وَيَسْأَلُونَكَ عَنْ ذِي الْقَرْنَيْنِ ۖ قُلْ سَأَتْلُو عَلَيْكُمْ مِنْهُ ذِكْرًا١٨:٨٣
১৮:৮৩
18:83
আর তারা তোমাকে যুল্ক্কারনাইন সন্বন্ধে জিজ্ঞাসা করছে। বলো -- ''আমি এখনি তোমাদের কাছে তাঁর সন্বন্ধে কাহিনী বর্ণনা করব।’’—জহুরুল হক
তারা আপনাকে যুলকারনাইন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে। বলুনঃ আমি তোমাদের কাছে তাঁর কিছু অবস্থা বর্ণনা করব।—মুহিউদ্দীন খান
And they ask you, [O Muhammad], about Dhul-Qarnayn. Say, "I will recite to you about him a report."—Saheeh International
إِنَّا مَكَّنَّا لَهُ فِي الْأَرْضِ وَآتَيْنَاهُ مِنْ كُلِّ شَيْءٍ سَبَبًا١٨:٨٤
১৮:৮৪
18:84
নিঃসন্দেহ আমরা তাঁকে দেশে প্রতিষ্ঠিত করেছিলাম এবং তাঁকে দিয়েছিলাম প্রত্যেক বিষয়ের অনুপ্রবেশ ক্ষমতা।—জহুরুল হক
আমি তাকে পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠিত করেছিলাম এবং প্রত্যেক বিষয়ের কার্যোপকরণ দান করেছিলাম।—মুহিউদ্দীন খান
Indeed We established him upon the earth, and We gave him to everything a way.—Saheeh International
فَأَتْبَعَ سَبَبًا١٨:٨٥
১৮:৮৫
18:85
কাজেই তিনি এক পথ অনুসরণ করলেন।—জহুরুল হক
অতঃপর তিনি এক কার্যোপকরণ অবলম্বন করলেন।—মুহিউদ্দীন খান
So he followed a way—Saheeh International
حَتَّىٰ إِذَا بَلَغَ مَغْرِبَ الشَّمْسِ وَجَدَهَا تَغْرُبُ فِي عَيْنٍ حَمِئَةٍ وَوَجَدَ عِنْدَهَا قَوْمًا ۗ قُلْنَا يَا ذَا الْقَرْنَيْنِ إِمَّا أَنْ تُعَذِّبَ وَإِمَّا أَنْ تَتَّخِذَ فِيهِمْ حُسْنًا١٨:٨٦
১৮:৮৬
18:86
পরে যখন তিনি সূর্য অস্ত যাবার স্থানে পৌঁছলেন, তিনি এটিকে দেখতে পেলেন এক কালো জলাশয়ে অস্তগমন করছে, আর তার কাছে পেলেন এক অধিবাসী। আমরা বললাম -- ''হে যুল্ক্কারনাইন, তুমি শাস্তি দিতে পার অথবা এদের সদয়ভাবে গ্রহণ করতে পার।’’—জহুরুল হক
অবশেষে তিনি যখন সুর্যের অস্তাচলে পৌছলেন; তখন তিনি সুর্যকে এক পঙ্কিল জলাশয়ে অস্ত যেতে দেখলেন এবং তিনি সেখানে এক সম্প্রদায়কে দেখতে পেলেন। আমি বললাম, হে যুলকারনাইন! আপনি তাদেরকে শাস্তি দিতে পারেন অথবা তাদেরকে সদয়ভাবে গ্রহণ করতে পারেন।—মুহিউদ্দীন খান
Until, when he reached the setting of the sun, he found it [as if] setting in a spring of dark mud, and he found near it a people. Allah said, "O Dhul-Qarnayn, either you punish [them] or else adopt among them [a way of] goodness."—Saheeh International
قَالَ أَمَّا مَنْ ظَلَمَ فَسَوْفَ نُعَذِّبُهُ ثُمَّ يُرَدُّ إِلَىٰ رَبِّهِ فَيُعَذِّبُهُ عَذَابًا نُكْرًا١٨:٨٧
১৮:৮৭
18:87
তিনি বললেন -- ''যে কেউ অন্যায় করবে আমরা অচিরেই তাকে শাস্তি দেব, তারপর তাকে ফিরিয়ে আনব তার প্রভুর কাছে, তখন তিনি তাকে শাস্তি দেবেন কঠোর শাস্তিতে।—জহুরুল হক
তিনি বললেনঃ যে কেউ সীমালঙ্ঘনকারী হবে আমি তাকে শাস্তি দেব। অতঃপর তিনি তাঁর পালনকর্তার কাছে ফিরে যাবেন। তিনি তাকে কঠোর শাস্তি দেবেন।—মুহিউদ্দীন খান
He said, "As for one who wrongs, we will punish him. Then he will be returned to his Lord, and He will punish him with a terrible punishment.—Saheeh International
وَأَمَّا مَنْ آمَنَ وَعَمِلَ صَالِحًا فَلَهُ جَزَاءً الْحُسْنَىٰ ۖ وَسَنَقُولُ لَهُ مِنْ أَمْرِنَا يُسْرًا١٨:٨٨
১৮:৮৮
18:88
''আর যে কেউ বিশ্বাস করবে ও সৎকাজ করবে, তার জন্যে তবে রয়েছে উত্তম প্রতিদান এবং তার প্রতি আমাদের আচার-আচরণে মোলায়েম কথা বলব।’’—জহুরুল হক
এবং যে বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে তার জন্য প্রতিদান রয়েছে কল্যাণ এবং আমার কাজে তাকে সহজ নির্দেশ দেব।—মুহিউদ্দীন খান
But as for one who believes and does righteousness, he will have a reward of Paradise, and we will speak to him from our command with ease."—Saheeh International
ثُمَّ أَتْبَعَ سَبَبًا١٨:٨٩
১৮:৮৯
18:89
তারপর তিনি এক পথ ধরলেন।—জহুরুল হক
অতঃপর তিনি এক উপায় অবলম্বন করলেন।—মুহিউদ্দীন খান
Then he followed a way—Saheeh International
حَتَّىٰ إِذَا بَلَغَ مَطْلِعَ الشَّمْسِ وَجَدَهَا تَطْلُعُ عَلَىٰ قَوْمٍ لَمْ نَجْعَلْ لَهُمْ مِنْ دُونِهَا سِتْرًا١٨:٩٠
১৮:৯০
18:90
পরে যখন তিনি সূর্য উদয় হওয়ার যায়গায় পৌঁছলেন, তিনি এটিকে দেখতে পেলেন উদয় হচ্ছে এক অধিবাসীর উপরে যাদের জন্য আমরা এর থেকে কোনো আবরণ বানাই নি, --—জহুরুল হক
অবশেষে তিনি যখন সূর্যের উদয়াচলে পৌছলেন, তখন তিনি তাকে এমন এক সম্প্রদায়ের উপর উদয় হতে দেখলেন, যাদের জন্যে সূর্যতাপ থেকে আত্নরক্ষার কোন আড়াল আমি সৃষ্টি করিনি।—মুহিউদ্দীন খান
Until, when he came to the rising of the sun, he found it rising on a people for whom We had not made against it any shield.—Saheeh International
كَذَٰلِكَ وَقَدْ أَحَطْنَا بِمَا لَدَيْهِ خُبْرًا١٨:٩١
১৮:৯১
18:91
এইভাবে। আর তাঁর ব্যাপারে সব খবর আমরা জানতাম।—জহুরুল হক
প্রকৃত ঘটনা এমনিই। তার বৃত্তান্ত আমি সম্যক অবগত আছি।—মুহিউদ্দীন খান
Thus. And We had encompassed [all] that he had in knowledge.—Saheeh International
ثُمَّ أَتْبَعَ سَبَبًا١٨:٩٢
১৮:৯২
18:92
তারপর তিনি এক পথ ধরলেন।—জহুরুল হক
আবার তিনি এক পথ ধরলেন।—মুহিউদ্দীন খান
Then he followed a way—Saheeh International
حَتَّىٰ إِذَا بَلَغَ بَيْنَ السَّدَّيْنِ وَجَدَ مِنْ دُونِهِمَا قَوْمًا لَا يَكَادُونَ يَفْقَهُونَ قَوْلًا١٨:٩٣
১৮:৯৩
18:93
পরে যখন তিনি দুই পর্বত-প্রাচীরের মধ্যে পৌঁছলেন তখন এ দুইটির মধ্যাঞ্চলে তিনি এক সম্প্রদায়কে পেলেন যারা কথা কিছুই বুঝতে পারত না।—জহুরুল হক
অবশেষে যখন তিনি দুই পর্বত প্রচীরের মধ্যস্থলে পৌছলেন, তখন তিনি সেখানে এক জাতিকে পেলেন, যারা তাঁর কথা একেবারেই বুঝতে পারছিল না।—মুহিউদ্দীন খান
Until, when he reached [a pass] between two mountains, he found beside them a people who could hardly understand [his] speech.—Saheeh International
قَالُوا يَا ذَا الْقَرْنَيْنِ إِنَّ يَأْجُوجَ وَمَأْجُوجَ مُفْسِدُونَ فِي الْأَرْضِ فَهَلْ نَجْعَلُ لَكَ خَرْجًا عَلَىٰ أَنْ تَجْعَلَ بَيْنَنَا وَبَيْنَهُمْ سَدًّا١٨:٩٤
১৮:৯৪
18:94
তারা বললে -- ''হে যুল্ক্কারনাইন, নিঃসন্দেহ ইয়াজুজ ও মাজুজ দেশে অশান্তি সৃষ্টি করেছে, আমরা কি তবে আপনাকে কর দেব এই শর্তে যে আপনি আমাদের মধ্যে ও তাদের মধ্যে এক প্রাচীর বানিয়ে দেবেন?’’—জহুরুল হক
তারা বললঃ হে যুলকারনাইন, ইয়াজুজ ও মাজুজ দেশে অশান্তি সৃষ্টি করেছে। আপনি বললে আমরা আপনার জন্যে কিছু কর ধার্য করব এই শর্তে যে, আপনি আমাদের ও তাদের মধ্যে একটি প্রাচীর নির্মাণ করে দেবেন।—মুহিউদ্দীন খান
They said, "O Dhul-Qarnayn, indeed Gog and Magog are [great] corrupters in the land. So may we assign for you an expenditure that you might make between us and them a barrier?"—Saheeh International
قَالَ مَا مَكَّنِّي فِيهِ رَبِّي خَيْرٌ فَأَعِينُونِي بِقُوَّةٍ أَجْعَلْ بَيْنَكُمْ وَبَيْنَهُمْ رَدْمًا١٨:٩٥
১৮:৯৫
18:95
তিনি বললেন -- ''আমার প্রভু যাতে আমাকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন তা আরো উৎকৃষ্ট, সুতরাং তোমরা আমাকে কায়িক-শ্রম দিয়ে সাহায্য কর, আমি তোমাদের মধ্যে ও তাদের মধ্যে এক মজবুত দেয়াল তৈরি করে দেব।—জহুরুল হক
তিনি বললেনঃ আমার পালনকর্তা আমাকে যে সামর্থ?2470;িয়েছেন, তাই যথেষ্ট। অতএব, তোমরা আমাকে শ্রম দিয়ে সাহায্য কর। আমি তোমাদের ও তাদের মধ্যে একটি সুদৃঢ় প্রাচীর নির্মাণ করে দেব।—মুহিউদ্দীন খান
He said, "That in which my Lord has established me is better [than what you offer], but assist me with strength; I will make between you and them a dam.—Saheeh International
آتُونِي زُبَرَ الْحَدِيدِ ۖ حَتَّىٰ إِذَا سَاوَىٰ بَيْنَ الصَّدَفَيْنِ قَالَ انْفُخُوا ۖ حَتَّىٰ إِذَا جَعَلَهُ نَارًا قَالَ آتُونِي أُفْرِغْ عَلَيْهِ قِطْرًا١٨:٩٦
১৮:৯৬
18:96
''আমাদের কাছে তোমরা লোহার টুকরোগুলো নিয়ে এস।’’ অতঃপর যখন দুই পাহাড়ের মধ্যবর্তী জায়গা তিনি পূর্ণ করলেন তখন বললেন -- ''হাপরে দম দিতে থাক।’’ তারপর যখন তা আগুন বানিয়ে তুললো তখন তিনি বললেন -- ''আমার কাছে গলিত তামা নিয়ে এস আমি এর উপরে ঢেলে দেব।—জহুরুল হক
তোমরা আমাকে লোহার পাত এনে দাও। অবশেষে যখন পাহাড়ের মধ্যবর্তী ফাঁকা স্থান পূর্ণ হয়ে গেল, তখন তিনি বললেনঃ তোমরা হাঁপরে দম দিতে থাক। অবশেষে যখন তা আগুনে পরিণত হল, তখন তিনি বললেনঃ তোমরা গলিত তামা নিয়ে এস, আমি তা এর উপরে ঢেলে দেই।—মুহিউদ্দীন খান
Bring me sheets of iron" - until, when he had leveled [them] between the two mountain walls, he said, "Blow [with bellows]," until when he had made it [like] fire, he said, "Bring me, that I may pour over it molten copper."—Saheeh International
فَمَا اسْطَاعُوا أَنْ يَظْهَرُوهُ وَمَا اسْتَطَاعُوا لَهُ نَقْبًا١٨:٩٧
১৮:৯৭
18:97
''সুতরাং তারা এটি ডিঙোতে সক্ষম হবে না, আর তারা এটি ভেদ করতেও পারবে না।’’—জহুরুল হক
অতঃপর ইয়াজুজ ও মাজুজ তার উপরে আরোহণ করতে পারল না এবং তা ভেদ করতে ও সক্ষম হল না।—মুহিউদ্দীন খান
So Gog and Magog were unable to pass over it, nor were they able [to effect] in it any penetration.—Saheeh International
قَالَ هَـٰذَا رَحْمَةٌ مِنْ رَبِّي ۖ فَإِذَا جَاءَ وَعْدُ رَبِّي جَعَلَهُ دَكَّاءَ ۖ وَكَانَ وَعْدُ رَبِّي حَقًّا١٨:٩٨
১৮:৯৮
18:98
তিনি বললেন -- ''এ আমার প্রভুর তরফ থেকে অনুগ্রহ, কিন্তু যখন আমার প্রভুর ওয়াদা এসে যাবে তখন তিনি এটিকে টুকরো- টুকরো করে দেবেন, আর আমার প্রভুর ওয়াদা চিরসত্য।’’—জহুরুল হক
যুলকারনাইন বললেনঃ এটা আমার পালনকর্তার অনুগ্রহ। যখন আমার পালনকর্তার প্রতিশ্রুত সময় আসবে, তখন তিনি একে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দেবেন এবং আমার পালনকর্তার প্রতিশ্রুতি সত্য।—মুহিউদ্দীন খান
[Dhul-Qarnayn] said, "This is a mercy from my Lord; but when the promise of my Lord comes, He will make it level, and ever is the promise of my Lord true."—Saheeh International
وَتَرَكْنَا بَعْضَهُمْ يَوْمَئِذٍ يَمُوجُ فِي بَعْضٍ ۖ وَنُفِخَ فِي الصُّورِ فَجَمَعْنَاهُمْ جَمْعًا١٨:٩٩
১৮:৯৯
18:99
আর সেই সময়ে আমরা তাদের এক দলকে অন্য দলের সাথে যুদ্ধাভিযানে ছেড়ে দেব, আর শিঙায় ফুৎকার দেয়া হবে, তখন আমরা তাদের জমায়েৎ করব এক সমাবেশে।—জহুরুল হক
আমি সেদিন তাদেরকে দলে দলে তরঙ্গের আকারে ছেড়ে দেব এবং শিঙ্গায় ফুঁৎকার দেয়া হবে। অতঃপর আমি তাদের সবাইকে একত্রিত করে আনব।—মুহিউদ্দীন খান
And We will leave them that day surging over each other, and [then] the Horn will be blown, and We will assemble them in [one] assembly.—Saheeh International
وَعَرَضْنَا جَهَنَّمَ يَوْمَئِذٍ لِلْكَافِرِينَ عَرْضًا١٨:١٠٠
১৮:১০০
18:100
আর সেই সময়ে আমরা জাহান্নামকে বিছিয়ে দেব বিস্তীর্ণভাবে অবিশ্বাসীদের জন্য, --—জহুরুল হক
সেদিন আমি কাফেরদের কাছে জাহান্নামকে প্রত্যক্ষ ভাবে উপস্থিত করব।—মুহিউদ্দীন খান
And We will present Hell that Day to the Disbelievers, on display -—Saheeh International
الَّذِينَ كَانَتْ أَعْيُنُهُمْ فِي غِطَاءٍ عَنْ ذِكْرِي وَكَانُوا لَا يَسْتَطِيعُونَ سَمْعًا١٨:١٠١
১৮:১০১
18:101
যাদের চোখ ছিল আমার স্মারক সন্বন্ধে পর্দার আড়ালে আর যারা শুনতেও ছিল অপারগ।—জহুরুল হক
যাদের চক্ষুসমূহের উপর পর্দা ছিল আমার স্মরণ থেকে এবং যারা শুনতেও সক্ষম ছিল না।—মুহিউদ্দীন খান
Those whose eyes had been within a cover [removed] from My remembrance, and they were not able to hear.—Saheeh International
أَفَحَسِبَ الَّذِينَ كَفَرُوا أَنْ يَتَّخِذُوا عِبَادِي مِنْ دُونِي أَوْلِيَاءَ ۚ إِنَّا أَعْتَدْنَا جَهَنَّمَ لِلْكَافِرِينَ نُزُلًا١٨:١٠٢
১৮:১০২
18:102
যারা অবিশ্বাস পোষণ করে তারা কি ভাবে যে তারা আমাকে ছেড়ে দিয়ে আমার বান্দাদের অভিভাবকরূপে গ্রহণ করতে পারে? নিঃসন্দেহ আমরা জাহান্নামকে তৈরী করেছি অবিশ্বাসীদের জন্য অভ্যর্থনাস্বরূপ!—জহুরুল হক
কাফেররা কি মনে করে যে, তারা আমার পরিবর্তে আমার বান্দাদেরকে অভিভাবক রূপে গ্রহণ করবে? আমি কাফেরদের অভ্যর্থনার জন্যে জাহান্নামকে প্রস্তুত করে রেখেছি।—মুহিউদ্দীন খান
Then do those who disbelieve think that they can take My servants instead of Me as allies? Indeed, We have prepared Hell for the disbelievers as a lodging.—Saheeh International
قُلْ هَلْ نُنَبِّئُكُمْ بِالْأَخْسَرِينَ أَعْمَالًا١٨:١٠٣
১৮:১০৩
18:103
বলো -- ''আমরা কি তোমাদের জানিয়ে দেব কারা কর্মক্ষেত্রে সবচাইতে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত?’’—জহুরুল হক
বলুনঃ আমি কি তোমাদেরকে সেসব লোকের সংবাদ দেব, যারা কর্মের দিক দিয়ে খুবই ক্ষতিগ্রস্ত।—মুহিউদ্দীন খান
Say, [O Muhammad], "Shall we [believers] inform you of the greatest losers as to [their] deeds?—Saheeh International
الَّذِينَ ضَلَّ سَعْيُهُمْ فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَهُمْ يَحْسَبُونَ أَنَّهُمْ يُحْسِنُونَ صُنْعًا١٨:١٠٤
১৮:১০৪
18:104
এরাই তো এই দুনিয়ার জীবনে তাদের প্রচেষ্টা পন্ড করছে, অথচ তারা মনে করে যে তারা তো বেশ ভালো উৎপাদন করছে।—জহুরুল হক
তারাই সে লোক, যাদের প্রচেষ্টা পার্থিবজীবনে বিভ্রান্ত হয়, অথচ তারা মনে করে যে, তারা সৎকর্ম করেছে।—মুহিউদ্দীন খান
[They are] those whose effort is lost in worldly life, while they think that they are doing well in work."—Saheeh International
أُولَـٰئِكَ الَّذِينَ كَفَرُوا بِآيَاتِ رَبِّهِمْ وَلِقَائِهِ فَحَبِطَتْ أَعْمَالُهُمْ فَلَا نُقِيمُ لَهُمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَزْنًا١٨:١٠٥
১৮:১০৫
18:105
এরাই তারা যারা অবিশ্বাস করে তাদের প্রভুর নির্দেশাবলীতে ও তাঁর সাথে সাক্ষাতের বিষয়ে, ফলে তাদের ক্রিয়াকর্ম ব্যর্থ হয়ে যায়, সুতরাং তাদের জন্য আমরা কিয়ামতের দিনে কোনো দাঁড়িপাল্লা খাড়া করব না।—জহুরুল হক
তারাই সে লোক, যারা তাদের পালনকর্তার নিদর্শনাবলী এবং তাঁর সাথে সাক্ষাতের বিষয় অস্বীকার করে। ফলে তাদের কর্ম নিষ্ফল হয়ে যায়। সুতরাং কেয়ামতের দিন তাদের জন্য আমি কোন গুরুত্ব স্থির করব না।—মুহিউদ্দীন খান
Those are the ones who disbelieve in the verses of their Lord and in [their] meeting Him, so their deeds have become worthless; and We will not assign to them on the Day of Resurrection any importance.—Saheeh International
ذَٰلِكَ جَزَاؤُهُمْ جَهَنَّمُ بِمَا كَفَرُوا وَاتَّخَذُوا آيَاتِي وَرُسُلِي هُزُوًا١٨:١٠٦
১৮:১০৬
18:106
এটাই তো, -- তাদের প্রাপ্য হচ্ছে জাহান্নাম যেহেতু তারা অবিশ্বাস পোষণ করেছিল এবং আমার নির্দেশাবলী ও আমার রসূলগণকে তারা তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করেছিল।—জহুরুল হক
জাহান্নাম-এটাই তাদের প্রতিফল; কারণ, তারা কাফের হয়েছে এবং আমার নিদর্শনাবলী ও রসূলগণকে বিদ্রূপের বিষয় রূপে গ্রহণ করেছে।—মুহিউদ্দীন খান
That is their recompense - Hell - for what they denied and [because] they took My signs and My messengers in ridicule.—Saheeh International
إِنَّ الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ كَانَتْ لَهُمْ جَنَّاتُ الْفِرْدَوْسِ نُزُلًا١٨:١٠٧
১৮:১০৭
18:107
নিঃসন্দেহ যারা ঈমান এনেছে ও সৎকর্ম করছে তাদের জন্য রয়েছে বেহেশতের বাগান অভ্যর্থনার কারণে, --—জহুরুল হক
যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম সম্পাদন করে, তাদের অভ্যর্থনার জন্যে আছে জান্নাতুল ফেরদাউস।—মুহিউদ্দীন খান
Indeed, those who have believed and done righteous deeds - they will have the Gardens of Paradise as a lodging,—Saheeh International
خَالِدِينَ فِيهَا لَا يَبْغُونَ عَنْهَا حِوَلًا١٨:١٠٨
১৮:১০৮
18:108
তারা সেখানে থাকবে স্থায়ীভাবে, সেখান থেকে কোনো পরিবর্তন তারা চাইবে না।—জহুরুল হক
সেখানে তারা চিরকাল থাকবে, সেখান থেকে স্থান পরিবর্তন করতে চাইবে না।—মুহিউদ্দীন খান
Wherein they abide eternally. They will not desire from it any transfer.—Saheeh International
قُلْ لَوْ كَانَ الْبَحْرُ مِدَادًا لِكَلِمَاتِ رَبِّي لَنَفِدَ الْبَحْرُ قَبْلَ أَنْ تَنْفَدَ كَلِمَاتُ رَبِّي وَلَوْ جِئْنَا بِمِثْلِهِ مَدَدًا١٨:١٠٩
১৮:১০৯
18:109
বলো -- ''সাগর যদি কালি হয়ে যেত আমার প্রভুর কলিমাহ্র জন্য তবে নিশ্চয়ই সাগর নিঃশেষ হয়ে যেত আমার প্রভুর কলিমাহ্ শেষ হওয়ার আগে’’, -- যদিও বা আমরা তার মতো আরেকটি আনতাম যোগ করতে।—জহুরুল হক
বলুনঃ আমার পালনকর্তার কথা, লেখার জন্যে যদি সমুদ্রের পানি কালি হয়, তবে আমার পালনকর্তার কথা, শেষ হওয়ার আগেই সে সমুদ্র নিঃশেষিত হয়ে যাবে। সাহায্যার্থে অনুরূপ আরেকটি সমুদ্র এনে দিলেও।—মুহিউদ্দীন খান
Say, "If the sea were ink for [writing] the words of my Lord, the sea would be exhausted before the words of my Lord were exhausted, even if We brought the like of it as a supplement."—Saheeh International
قُلْ إِنَّمَا أَنَا بَشَرٌ مِثْلُكُمْ يُوحَىٰ إِلَيَّ أَنَّمَا إِلَـٰهُكُمْ إِلَـٰهٌ وَاحِدٌ ۖ فَمَنْ كَانَ يَرْجُو لِقَاءَ رَبِّهِ فَلْيَعْمَلْ عَمَلًا صَالِحًا وَلَا يُشْرِكْ بِعِبَادَةِ رَبِّهِ أَحَدًا١٨:١١٠
১৮:১১০
18:110
বলো -- ''আমি নিঃসন্দেহ তোমাদেরই মতন একজন মানুষ, আমার কাছে প্রত্যাদিষ্ট হয়েছে যে নিঃসন্দেহ তোমাদের উপাস্য একক উপাস্য, সেজন্য যে কেউ তার প্রভুর সঙ্গে মুলাকাতের কামনা করে সে তবে সৎকর্ম করুক এবং তার প্রভুর উপাসনায় অন্য কাউকেও শরীক না করুক।’’—জহুরুল হক
বলুনঃ আমি ও তোমাদের মতই একজন মানুষ, আমার প্রতি প্রত্যাদেশ হয় যে, তোমাদের ইলাহই একমাত্র ইলাহ। অতএব, যে ব্যক্তি তার পালনকর্তার সাক্ষাত কামনা করে, সে যেন, সৎকর্ম সম্পাদন করে এবং তার পালনকর্তার এবাদতে কাউকে শরীক না করে।—মুহিউদ্দীন খান
Say, "I am only a man like you, to whom has been revealed that your god is one God. So whoever would hope for the meeting with his Lord - let him do righteous work and not associate in the worship of his Lord anyone."—Saheeh International