Quran Shareef

بِسْمِ اللّهِ الرَّحْمـَنِ الرَّحِيمِ


শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।

 

تَبَارَكَ الَّذِي بِيَدِهِ الْمُلْكُ وَهُوَ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ۝

٦٧:١

৬৭:১

67:1

মহামহিমান্বিত তিনি যাঁর হাতে রয়েছে সার্বভৌম কর্তৃত্ব, আর তিনি সব-কিছুর উপরে সর্বশক্তিমান;—জহুরুল হক
পূণ্যময় তিনি, যাঁর হাতে রাজত্ব। তিনি সবকিছুর উপর সর্বশক্তিমান।—মুহিউদ্দীন খান
Blessed is He in whose hand is dominion, and He is over all things competent -—Saheeh International
الَّذِي خَلَقَ الْمَوْتَ وَالْحَيَاةَ لِيَبْلُوَكُمْ أَيُّكُمْ أَحْسَنُ عَمَلًا ۚ وَهُوَ الْعَزِيزُ الْغَفُورُ۝

٦٧:٢

৬৭:২

67:2

যিনি মৃত্যু ও জীবন সৃষ্টি করেছেন তোমাদের যাচাই করতে যে তোমাদের মধ্যে কে কাজকর্মে শ্রেষ্ঠ। আর তিনি মহাশক্তিশালী, পরিত্রাণকারী;—জহুরুল হক
যিনি সৃষ্টি করেছেন মরণ ও জীবন, যাতে তোমাদেরকে পরীক্ষা করেন-কে তোমাদের মধ্যে কর্মে শ্রেষ্ঠ? তিনি পরাক্রমশালী, ক্ষমাময়।—মুহিউদ্দীন খান
[He] who created death and life to test you [as to] which of you is best in deed - and He is the Exalted in Might, the Forgiving -—Saheeh International
الَّذِي خَلَقَ سَبْعَ سَمَاوَاتٍ طِبَاقًا ۖ مَا تَرَىٰ فِي خَلْقِ الرَّحْمَـٰنِ مِنْ تَفَاوُتٍ ۖ فَارْجِعِ الْبَصَرَ هَلْ تَرَىٰ مِنْ فُطُورٍ۝

٦٧:٣

৬৭:৩

67:3

যিনি সাত আকাশ সৃষ্টি করেছেন সুবিন্যস্তভাবে। তুমি পরম করুণাময়ের সৃষ্টিতে কোনো অসামঞ্জস্য দেখতে পাবে না। তারপর তুমি দৃষ্টি ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে নাও, তুমি কি কোনো ফাটল দেখতে পাচ্ছ?—জহুরুল হক
তিনি সপ্ত আকাশ স্তরে স্তরে সৃষ্টি করেছেন। তুমি করুণাময় আল্লাহ তা’আলার সৃষ্টিতে কোন তফাত দেখতে পাবে না। আবার দৃষ্টিফেরাও; কোন ফাটল দেখতে পাও কি?—মুহিউদ্দীন খান
[And] who created seven heavens in layers. You do not see in the creation of the Most Merciful any inconsistency. So return [your] vision [to the sky]; do you see any breaks?—Saheeh International
ثُمَّ ارْجِعِ الْبَصَرَ كَرَّتَيْنِ يَنْقَلِبْ إِلَيْكَ الْبَصَرُ خَاسِئًا وَهُوَ حَسِيرٌ۝

٦٧:٤

৬৭:৪

67:4

তারপর দৃষ্টি আরেকবার ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে নাও, দৃষ্টি তোমার কাছে ফিরে আসবে ব্যর্থ হয়ে, আর তা হবে ক্লান্ত।—জহুরুল হক
অতঃপর তুমি বার বার তাকিয়ে দেখ-তোমার দৃষ্টি ব্যর্থ ও পরিশ্রান্ত হয়ে তোমার দিকে ফিরে আসবে।—মুহিউদ্দীন খান
Then return [your] vision twice again. [Your] vision will return to you humbled while it is fatigued.—Saheeh International
وَلَقَدْ زَيَّنَّا السَّمَاءَ الدُّنْيَا بِمَصَابِيحَ وَجَعَلْنَاهَا رُجُومًا لِلشَّيَاطِينِ ۖ وَأَعْتَدْنَا لَهُمْ عَذَابَ السَّعِيرِ۝

٦٧:٥

৬৭:৫

67:5

আর আমরা নিকটবর্তী আকাশকে সুশোভিত করে রেখেছি প্রদীপমালা দিয়ে, আর আমরা তাদের বানিয়েছি শয়তানদের জন্য ভাঁওতার বিষয়; আর আমরা তাদের জন্য প্রস্তুত রেখেছি জ্বলন্ত আগুনের শাস্তি।—জহুরুল হক
আমি সর্বনিম্ন আকাশকে প্রদীপমালা দ্বারা সুসজ্জত করেছি; সেগুলোকে শয়তানদের জন্যে ক্ষেপণাস্ত্রবৎ করেছি এবং প্রস্তুত করে রেখেছি তাদের জন্যে জলন্ত অগ্নির শাস্তি।—মুহিউদ্দীন খান
And We have certainly beautified the nearest heaven with stars and have made [from] them what is thrown at the devils and have prepared for them the punishment of the Blaze.—Saheeh International
وَلِلَّذِينَ كَفَرُوا بِرَبِّهِمْ عَذَابُ جَهَنَّمَ ۖ وَبِئْسَ الْمَصِيرُ۝

٦٧:٦

৬৭:৬

67:6

আর যারা তাদের প্রভুকে অবিশ্বাস করে তাদের জন্য রয়েছে জাহান্নামের শাস্তি। আর মন্দ সেই গন্তব্যস্থান!—জহুরুল হক
যারা তাদের পালনকর্তাকে অস্বীকার করেছে তাদের জন্যে রয়েছে জাহান্নামের শাস্তি। সেটা কতই না নিকৃষ্ট স্থান।—মুহিউদ্দীন খান
And for those who disbelieved in their Lord is the punishment of Hell, and wretched is the destination.—Saheeh International
إِذَا أُلْقُوا فِيهَا سَمِعُوا لَهَا شَهِيقًا وَهِيَ تَفُورُ۝

٦٧:٧

৬৭:৭

67:7

যখন তাদের সেখানে নিক্ষেপ করা হবে তখন তারা তার থেকে বিকট গর্জন শুনতে পাবে, আর তা লেলিহান শিখা ছড়াবে, --—জহুরুল হক
যখন তারা তথায় নিক্ষিপ্ত হবে, তখন তার উৎক্ষিপ্ত গর্জন শুনতে পাবে।—মুহিউদ্দীন খান
When they are thrown into it, they hear from it a [dreadful] inhaling while it boils up.—Saheeh International
تَكَادُ تَمَيَّزُ مِنَ الْغَيْظِ ۖ كُلَّمَا أُلْقِيَ فِيهَا فَوْجٌ سَأَلَهُمْ خَزَنَتُهَا أَلَمْ يَأْتِكُمْ نَذِيرٌ۝

٦٧:٨

৬৭:৮

67:8

যেন ক্রোধে ফেটে পড়ছে। যখনই কোনো একদলকে ওতে নিক্ষেপ করা হবে তার রক্ষীরা তাদের জিজ্ঞাসা করবে -- ''তোমাদের কাছে কি কোনো সতর্ককারী আসেন নি?”—জহুরুল হক
ক্রোধে জাহান্নাম যেন ফেটে পড়বে। যখনই তাতে কোন সম্প্রদায় নিক্ষিপ্ত হবে তখন তাদেরকে তার সিপাহীরা জিজ্ঞাসা করবে। তোমাদের কাছে কি কোন সতর্ককারী আগমন করেনি?—মুহিউদ্দীন খান
It almost bursts with rage. Every time a company is thrown into it, its keepers ask them, "Did there not come to you a warner?"—Saheeh International
قَالُوا بَلَىٰ قَدْ جَاءَنَا نَذِيرٌ فَكَذَّبْنَا وَقُلْنَا مَا نَزَّلَ اللَّهُ مِنْ شَيْءٍ إِنْ أَنْتُمْ إِلَّا فِي ضَلَالٍ كَبِيرٍ۝

٦٧:٩

৬৭:৯

67:9

তারা বলবে -- ''হাঁ, আমাদের কাছে সতর্ককারী ইতিপূর্বে এসে গেছেন, আমরা কিন্তু অস্বীকার করেছিলাম ও বলেছিলাম -- 'আল্লাহ্ কোনো-কিছু অবতারণ করেন নি, তোমরা রয়েছ বিরাট পথভ্রান্তিতে বৈ তো নও’।’’—জহুরুল হক
তারা বলবেঃ হ্যাঁ আমাদের কাছে সতর্ককারী আগমন করেছিল, অতঃপর আমরা মিথ্যারোপ করেছিলাম এবং বলেছিলামঃ আল্লাহ তা’আলা কোন কিছু নাজিল করেননি। তোমরা মহাবিভ্রান্তিতে পড়ে রয়েছ।—মুহিউদ্দীন খান
They will say," Yes, a warner had come to us, but we denied and said, 'Allah has not sent down anything. You are not but in great error.'"—Saheeh International
وَقَالُوا لَوْ كُنَّا نَسْمَعُ أَوْ نَعْقِلُ مَا كُنَّا فِي أَصْحَابِ السَّعِيرِ۝

٦٧:١٠

৬৭:১০

67:10

আর তারা বলবে -- ''আমরা যদি শুনতাম অথবা বুদ্ধি প্রয়োগ করতাম তাহলে আমরা জ্বলন্ত আগুনের বাসিন্দাদের মধ্যে হতাম না।’’—জহুরুল হক
তারা আরও বলবেঃ যদি আমরা শুনতাম অথবা বুদ্ধি খাটাতাম, তবে আমরা জাহান্নামবাসীদের মধ্যে থাকতাম না।—মুহিউদ্দীন খান
And they will say, "If only we had been listening or reasoning, we would not be among the companions of the Blaze."—Saheeh International
فَاعْتَرَفُوا بِذَنْبِهِمْ فَسُحْقًا لِأَصْحَابِ السَّعِيرِ۝

٦٧:١١

৬৭:১১

67:11

সুতরাং তারা তাদের অপরাধ স্বীকার করবে, ফলে জ্বলন্ত আগুনের বাসিন্দাদের জন্য -- 'দূর হ!’—জহুরুল হক
অতঃপর তারা তাদের অপরাধ স্বীকার করবে। জাহান্নামীরা দূর হোক।—মুহিউদ্দীন খান
And they will admit their sin, so [it is] alienation for the companions of the Blaze.—Saheeh International
إِنَّ الَّذِينَ يَخْشَوْنَ رَبَّهُمْ بِالْغَيْبِ لَهُمْ مَغْفِرَةٌ وَأَجْرٌ كَبِيرٌ۝

٦٧:١٢

৬৭:১২

67:12

নিঃসন্দেহ যারা তাদের প্রভুকে ভয় করে গোপনে তাদের জন্য রয়েছে পরিত্রাণ ও বিরাট প্রতিদান।—জহুরুল হক
নিশ্চয় যারা তাদের পালনকর্তাকে না দেখে ভয় করে, তাদের জন্যে রয়েছে ক্ষমা ও মহাপুরস্কার।—মুহিউদ্দীন খান
Indeed, those who fear their Lord unseen will have forgiveness and great reward.—Saheeh International
وَأَسِرُّوا قَوْلَكُمْ أَوِ اجْهَرُوا بِهِ ۖ إِنَّهُ عَلِيمٌ بِذَاتِ الصُّدُورِ۝

٦٧:١٣

৬৭:১৩

67:13

অথচ তোমাদের কথাবার্তা তোমরা গোপন কর অথবা তা প্রকাশই কর। নিঃসন্দেহ তিনি বুকের ভেতরের বিষয় সন্বন্ধেও সর্বজ্ঞাতা।—জহুরুল হক
তোমরা তোমাদের কথা গোপনে বল অথবা প্রকাশ্যে বল, তিনি তো অন্তরের বিষয়াদি সম্পর্কে সম্যক অবগত।—মুহিউদ্দীন খান
And conceal your speech or publicize it; indeed, He is Knowing of that within the breasts.—Saheeh International
أَلَا يَعْلَمُ مَنْ خَلَقَ وَهُوَ اللَّطِيفُ الْخَبِيرُ۝

٦٧:١٤

৬৭:১৪

67:14

যিনি সৃষ্টি করেছেন তিনি কি জানেন না? আর তিনি গুপ্ত বিষয়ে জ্ঞাতা, পূর্ণ-ওয়াকিফহাল।—জহুরুল হক
যিনি সৃষ্টি করেছেন, তিনি কি করে জানবেন না? তিনি সূক্ষ্নজ্ঞানী, সম্যক জ্ঞাত।—মুহিউদ্দীন খান
Does He who created not know, while He is the Subtle, the Acquainted?—Saheeh International
هُوَ الَّذِي جَعَلَ لَكُمُ الْأَرْضَ ذَلُولًا فَامْشُوا فِي مَنَاكِبِهَا وَكُلُوا مِنْ رِزْقِهِ ۖ وَإِلَيْهِ النُّشُورُ۝

٦٧:١٥

৬৭:১৫

67:15

তিনিই সেইজন যিনি পৃথিবীটাকে তোমাদের জন্য করে দিয়েছেন শান্ত, ফলে তোমরা এর দিগদিগন্তে বিচরণ করছ এবং তার জীবিকা থেকে আহার করছ। আর তাঁরই কাছে পুনরুত্থান।—জহুরুল হক
তিনি তোমাদের জন্যে পৃথিবীকে সুগম করেছেন, অতএব, তোমরা তার কাঁধে বিচরণ কর এবং তাঁর দেয়া রিযিক আহার কর। তাঁরই কাছে পুনরুজ্জীবন হবে।—মুহিউদ্দীন খান
It is He who made the earth tame for you - so walk among its slopes and eat of His provision - and to Him is the resurrection.—Saheeh International
أَأَمِنْتُمْ مَنْ فِي السَّمَاءِ أَنْ يَخْسِفَ بِكُمُ الْأَرْضَ فَإِذَا هِيَ تَمُورُ۝

٦٧:١٦

৬৭:১৬

67:16

কী! যিনি উর্ধ্বলোকে রয়েছেন তাঁর কাছ থেকে কি তোমরা নিরাপত্তা গ্রহণ করেছ যে তিনি পৃথিবীকে দিয়ে তোমাদের গ্রাস করাবেন না, যখন আলবৎ তা আন্দোলিত হবে?—জহুরুল হক
তোমরা কি ভাবনামুক্ত হয়ে গেছ যে, আকাশে যিনি আছেন তিনি তোমাদেরকে ভূগর্ভে বিলীন করে দেবেন, অতঃপর তা কাঁপতে থাকবে।—মুহিউদ্দীন খান
Do you feel secure that He who [holds authority] in the heaven would not cause the earth to swallow you and suddenly it would sway?—Saheeh International
أَمْ أَمِنْتُمْ مَنْ فِي السَّمَاءِ أَنْ يُرْسِلَ عَلَيْكُمْ حَاصِبًا ۖ فَسَتَعْلَمُونَ كَيْفَ نَذِيرِ۝

٦٧:١٧

৬৭:১৭

67:17

অথবা যিনি উর্ধ্বলোকে রয়েছেন তাঁর কাছ থেকে কি তোমরা নিরাপত্তা গ্রহণ করেছ পাছে তিনি তোমাদের উপরে পাঠিয়ে দেন এক কংকরময় ঘূর্ণিঝড়? ফলে তোমরা শীঘ্রই জানতে পারবে কেমন ছিল আমার সতর্কবাণী!—জহুরুল হক
না তোমরা নিশ্চিন্ত হয়ে গেছ যে, আকাশে যিনি আছেন, তিনি তোমাদের উপর প্রস্তর বৃষ্টি বর্ষণ করবেন, অতঃপর তোমরা জানতে পারবে কেমন ছিল আমার সতর্কবাণী।—মুহিউদ্দীন খান
Or do you feel secure that He who [holds authority] in the heaven would not send against you a storm of stones? Then you would know how [severe] was My warning.—Saheeh International
وَلَقَدْ كَذَّبَ الَّذِينَ مِنْ قَبْلِهِمْ فَكَيْفَ كَانَ نَكِيرِ۝

٦٧:١٨

৬৭:১৮

67:18

আর এদের আগে যারা ছিল তারাও প্রত্যাখ্যান করেছিল, তখন কেমন হয়েছিল আমার অসন্তোষ!—জহুরুল হক
তাদের পূর্ববর্তীরা মিথ্যারোপ করেছিল, অতঃপর কত কঠোর হয়েছিল আমার অস্বীকৃতি।—মুহিউদ্দীন খান
And already had those before them denied, and how [terrible] was My reproach.—Saheeh International
أَوَلَمْ يَرَوْا إِلَى الطَّيْرِ فَوْقَهُمْ صَافَّاتٍ وَيَقْبِضْنَ ۚ مَا يُمْسِكُهُنَّ إِلَّا الرَّحْمَـٰنُ ۚ إِنَّهُ بِكُلِّ شَيْءٍ بَصِيرٌ۝

٦٧:١٩

৬৭:১৯

67:19

তারা কি দেখে নি তাদের উপরে পাখিদের ছড়ানো ও গুটানো? তাদের পরম করুণাময় ছাড়া কেউ ধরে রাখেন না। নিঃসন্দেহ তিনিই সর্ববিষয়ে সম্যক দ্রষ্টা।—জহুরুল হক
তারা কি লক্ষ্য করে না, তাদের মাথার উপর উড়ন্ত পক্ষীকুলের প্রতি পাখা বিস্তারকারী ও পাখা সংকোচনকারী? রহমান আল্লাহ-ই তাদেরকে স্থির রাখেন। তিনি সর্ব-বিষয় দেখেন।—মুহিউদ্দীন খান
Do they not see the birds above them with wings outspread and [sometimes] folded in? None holds them [aloft] except the Most Merciful. Indeed He is, of all things, Seeing.—Saheeh International
أَمَّنْ هَـٰذَا الَّذِي هُوَ جُنْدٌ لَكُمْ يَنْصُرُكُمْ مِنْ دُونِ الرَّحْمَـٰنِ ۚ إِنِ الْكَافِرُونَ إِلَّا فِي غُرُورٍ۝

٦٧:٢٠

৬৭:২০

67:20

আচ্ছা, পরম করুণাময়কে বাদ দিয়ে কে সেইটি -- যে হবে তোমাদের জন্য সেনাবাহিনী যে তোমাদের সাহায্য করবে? অবিশ্বাসীরা তো বিভ্রান্তিতে থাকা ছাড়া আর কোথাও নয়।—জহুরুল হক
রহমান আল্লাহ তা’আলা ব্যতীত তোমাদের কোন সৈন্য আছে কি, যে তোমাদেরকে সাহায্য করবে? কাফেররা বিভ্রান্তিতেই পতিত আছে।—মুহিউদ্দীন খান
Or who is it that could be an army for you to aid you other than the Most Merciful? The disbelievers are not but in delusion.—Saheeh International
أَمَّنْ هَـٰذَا الَّذِي يَرْزُقُكُمْ إِنْ أَمْسَكَ رِزْقَهُ ۚ بَلْ لَجُّوا فِي عُتُوٍّ وَنُفُورٍ۝

٦٧:٢١

৬৭:২১

67:21

অথবা কে সে যে তোমাদের জীবিকা দেবে যদি তিনি তাঁর রিযেক বন্ধ করে দেন? বস্তুত তারা অবাধ্যতায় ও বিতৃষ্ণায় অনড় রয়েছে।—জহুরুল হক
তিনি যদি রিযিক বন্ধ করে দেন, তবে কে আছে, যে তোমাদেরকে রিযিক দিবে বরং তারা অবাধ্যতা ও বিমুখতায় ডুবে রয়েছে।—মুহিউদ্দীন খান
Or who is it that could provide for you if He withheld His provision? But they have persisted in insolence and aversion.—Saheeh International
أَفَمَنْ يَمْشِي مُكِبًّا عَلَىٰ وَجْهِهِ أَهْدَىٰ أَمَّنْ يَمْشِي سَوِيًّا عَلَىٰ صِرَاطٍ مُسْتَقِيمٍ۝

٦٧:٢٢

৬৭:২২

67:22

আচ্ছা, যে তার মুখের উপরে থুবড়ে থুবড়ে চলে সে কি তবে বেশি সৎপথে চালিত, না সেইজন যে সোজা হয়ে চলে শুদ্ধ-সঠিক পথে?—জহুরুল হক
যে ব্যক্তি উপুড় হয়ে মুখে ভর দিয়ে চলে, সে-ই কি সৎ পথে চলে, না সে ব্যক্তি যে সোজা হয়ে সরলপথে চলে?—মুহিউদ্দীন খান
Then is one who walks fallen on his face better guided or one who walks erect on a straight path?—Saheeh International
قُلْ هُوَ الَّذِي أَنْشَأَكُمْ وَجَعَلَ لَكُمُ السَّمْعَ وَالْأَبْصَارَ وَالْأَفْئِدَةَ ۖ قَلِيلًا مَا تَشْكُرُونَ۝

٦٧:٢٣

৬৭:২৩

67:23

বলো -- ''তিনিই সেইজন যিনি তোমাদের বিকশিত করেছেন, আর তোমাদের জন্য বানিয়ে দিয়েছেন শ্রবণশক্তি ও দৃষ্টিশক্তি ও অন্তঃকরণ। তোমরা যা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর সে তো যৎসামান্য!’’—জহুরুল হক
বলুন, তিনিই তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন এবং দিয়েছেন কর্ণ, চক্ষু ও অন্তর। তোমরা অল্পই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর।—মুহিউদ্দীন খান
Say, "It is He who has produced you and made for you hearing and vision and hearts; little are you grateful."—Saheeh International
قُلْ هُوَ الَّذِي ذَرَأَكُمْ فِي الْأَرْضِ وَإِلَيْهِ تُحْشَرُونَ۝

٦٧:٢٤

৬৭:২৪

67:24

তুমি বলে যাও -- ''তিনিই সেইজন যিনি পৃথিবীতে তোমাদের ছড়িয়ে দিয়েছেন, আর তাঁরই কাছে তোমাদের একত্রিত করা হবে।’’—জহুরুল হক
বলুন, তিনিই তোমাদেরকে পৃথিবীতে বিস্তৃত করেছেন এবং তাঁরই কাছে তোমরা সমবেত হবে।—মুহিউদ্দীন খান
Say, "It is He who has multiplied you throughout the earth, and to Him you will be gathered."—Saheeh International
وَيَقُولُونَ مَتَىٰ هَـٰذَا الْوَعْدُ إِنْ كُنْتُمْ صَادِقِينَ۝

٦٧:٢٥

৬৭:২৫

67:25

আর তারা বলে -- ''কখন এই ওয়াদা হবে? যদি তোমরা সত্যবাদী হও।’’—জহুরুল হক
কাফেররা বলেঃ এই প্রতিশ্রুতি কবে হবে, যদি তোমরা সত্যবাদী হও?—মুহিউদ্দীন খান
And they say, "When is this promise, if you should be truthful?"—Saheeh International
قُلْ إِنَّمَا الْعِلْمُ عِنْدَ اللَّهِ وَإِنَّمَا أَنَا نَذِيرٌ مُبِينٌ۝

٦٧:٢٦

৬৭:২৬

67:26

তুমি বলো -- ''জ্ঞান কেবল আল্লাহ্‌রই কাছে আছে, আর আমি নিঃসন্দেহ একজন স্পষ্ট সতর্ককারী মাত্র।’’—জহুরুল হক
বলুন, এর জ্ঞান আল্লাহ তা’আলার কাছেই আছে। আমি তো কেবল প্রকাশ্য সতর্ককারী।—মুহিউদ্দীন খান
Say, "The knowledge is only with Allah, and I am only a clear warner."—Saheeh International
فَلَمَّا رَأَوْهُ زُلْفَةً سِيئَتْ وُجُوهُ الَّذِينَ كَفَرُوا وَقِيلَ هَـٰذَا الَّذِي كُنْتُمْ بِهِ تَدَّعُونَ۝

٦٧:٢٧

৬৭:২৭

67:27

তারপর তারা যখন এটি আসন্ন দেখতে পাবে তখন যারা অবিশ্বাস করেছিল তাদের চেহারা হবে মলিন, আর বলা হবে -- ''এটিই তাই যা তোমরা ডেকে আনছিলে।’’—জহুরুল হক
যখন তারা সেই প্রতিশ্রুতিকে আসন্ন দেখবে তখন কাফেরদের মুখমন্ডল মলিন হয়ে পড়বে এবং বলা হবেঃ এটাই তো তোমরা চাইতে।—মুহিউদ্দীন খান
But when they see it approaching, the faces of those who disbelieve will be distressed, and it will be said, "This is that for which you used to call."—Saheeh International
قُلْ أَرَأَيْتُمْ إِنْ أَهْلَكَنِيَ اللَّهُ وَمَنْ مَعِيَ أَوْ رَحِمَنَا فَمَنْ يُجِيرُ الْكَافِرِينَ مِنْ عَذَابٍ أَلِيمٍ۝

٦٧:٢٨

৬৭:২৮

67:28

তুমি বলো -- ''তোমরা কি ভেবে দেখেছ, -- যদি আল্লাহ্ আমাকে ও যারা আমার সঙ্গে রয়েছে তাদের ধ্বংস করেন অথবা আমাদের প্রতি করুণা করেন, কিন্তু কে অবিশ্বাসীদের রক্ষা করবে মর্মন্তুদ শাস্তি থেকে?’’—জহুরুল হক
বলুন, তোমরা কি ভেবে দেখেছ-যদি আল্লাহ তা’আলা আমাকে ও আমার সংগীদেরকে ধ্বংস করেন অথবা আমাদের প্রতি দয়া করেন, তবে কাফেরদেরকে কে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি থেকে রক্ষা করবে?—মুহিউদ্দীন খান
Say, [O Muhammad], "Have you considered: whether Allah should cause my death and those with me or have mercy upon us, who can protect the disbelievers from a painful punishment?"—Saheeh International
قُلْ هُوَ الرَّحْمَـٰنُ آمَنَّا بِهِ وَعَلَيْهِ تَوَكَّلْنَا ۖ فَسَتَعْلَمُونَ مَنْ هُوَ فِي ضَلَالٍ مُبِينٍ۝

٦٧:٢٩

৬৭:২৯

67:29

বলো -- ''তিনি পরম করুণাময়, আমরা তাঁতে ঈমান এনেছি এবং তাঁরই উপরে আমরা আস্থা রেখেছি, সুতরাং অচিরেই তোমরা জানতে পারবে কে সেইজন যে স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে রয়েছে।’’—জহুরুল হক
বলুন, তিনি পরম করুণাময়, আমরা তাতে বিশ্বাস রাখি এবং তাঁরই উপর ভরসা করি। সত্ত্বরই তোমরা জানতে পারবে, কে প্রকাশ্য পথ-ভ্রষ্টতায় আছে।—মুহিউদ্দীন খান
Say, "He is the Most Merciful; we have believed in Him, and upon Him we have relied. And you will [come to] know who it is that is in clear error."—Saheeh International
قُلْ أَرَأَيْتُمْ إِنْ أَصْبَحَ مَاؤُكُمْ غَوْرًا فَمَنْ يَأْتِيكُمْ بِمَاءٍ مَعِينٍ۝

٦٧:٣٠

৬৭:৩০

67:30

বলে যাও -- ''তোমরা কি ভেবে দেখেছ -- যদি তোমাদের পানি সাত-সকালে ভূগর্ভে চলে যায়, তাহলে কে তোমাদের জন্য নিয়ে আসবে প্রবহমান পানি?’’—জহুরুল হক
বলুন, তোমরা ভেবে দেখেছ কি, যদি তোমাদের পানি ভূগর্ভের গভীরে চলে যায়, তবে কে তোমাদেরকে সরবরাহ করবে পানির স্রোতধারা?—মুহিউদ্দীন খান
Say, "Have you considered: if your water was to become sunken [into the earth], then who could bring you flowing water?"—Saheeh International