إِذَا السَّمَاءُ انْفَطَرَتْ
٨٢:١
৮২:১
82:1
যখন আকাশ বিদীর্ণ হবে,—জহুরুল হক
যখন আকাশ বিদীর্ণ হবে,—মুহিউদ্দীন খান
যখন আকাশ বিদীর্ণ হবে,—মুহিউদ্দীন খান
When the sky breaks apart—Saheeh International
وَإِذَا الْكَوَاكِبُ انْتَثَرَتْ
٨٢:٢
৮২:২
82:2
আর যখন নক্ষত্রসব বিক্ষিপ্ত হবে,—জহুরুল হক
যখন নক্ষত্রসমূহ ঝরে পড়বে,—মুহিউদ্দীন খান
যখন নক্ষত্রসমূহ ঝরে পড়বে,—মুহিউদ্দীন খান
And when the stars fall, scattering,—Saheeh International
وَإِذَا الْبِحَارُ فُجِّرَتْ
٨٢:٣
৮২:৩
82:3
আর যখন সমুদ্রগুলো উচ্ছলিত হবে,—জহুরুল হক
যখন সমুদ্রকে উত্তাল করে তোলা হবে,—মুহিউদ্দীন খান
যখন সমুদ্রকে উত্তাল করে তোলা হবে,—মুহিউদ্দীন খান
And when the seas are erupted—Saheeh International
وَإِذَا الْقُبُورُ بُعْثِرَتْ
٨٢:٤
৮২:৪
82:4
আর যখন কবরগুলো উন্মোচিত হবে, --—জহুরুল হক
এবং যখন কবরসমূহ উম্মোচিত হবে,—মুহিউদ্দীন খান
এবং যখন কবরসমূহ উম্মোচিত হবে,—মুহিউদ্দীন খান
And when the [contents of] graves are scattered,—Saheeh International
عَلِمَتْ نَفْسٌ مَا قَدَّمَتْ وَأَخَّرَتْ
٨٢:٥
৮২:৫
82:5
তখন প্রত্যেকেই জানতে পারবে সে কী আগ-বাড়িয়েছে, আর কী সে পেছনে ফেলে রেখেছে।—জহুরুল হক
তখন প্রত্যেকে জেনে নিবে সে কি অগ্রে প্রেরণ করেছে এবং কি পশ্চাতে ছেড়ে এসেছে।—মুহিউদ্দীন খান
তখন প্রত্যেকে জেনে নিবে সে কি অগ্রে প্রেরণ করেছে এবং কি পশ্চাতে ছেড়ে এসেছে।—মুহিউদ্দীন খান
A soul will [then] know what it has put forth and kept back.—Saheeh International
يَا أَيُّهَا الْإِنْسَانُ مَا غَرَّكَ بِرَبِّكَ الْكَرِيمِ
٨٢:٦
৮২:৬
82:6
ওহে মানব! কিসে তোমাকে ভুলিয়েছে তোমার মহানুভব প্রভুসন্বন্ধে --—জহুরুল হক
হে মানুষ, কিসে তোমাকে তোমার মহামহিম পালনকর্তা সম্পর্কে বিভ্রান্ত করল?—মুহিউদ্দীন খান
হে মানুষ, কিসে তোমাকে তোমার মহামহিম পালনকর্তা সম্পর্কে বিভ্রান্ত করল?—মুহিউদ্দীন খান
O mankind, what has deceived you concerning your Lord, the Generous,—Saheeh International
الَّذِي خَلَقَكَ فَسَوَّاكَ فَعَدَلَكَ
٨٢:٧
৮২:৭
82:7
যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন, তারপর তোমাকে সুঠাম করেছেন, তারপর তোমাকে সুসমঞ্জস করেছেন, --—জহুরুল হক
যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর তোমাকে সুবিন্যস্ত করেছেন এবং সুষম করেছেন।—মুহিউদ্দীন খান
যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর তোমাকে সুবিন্যস্ত করেছেন এবং সুষম করেছেন।—মুহিউদ্দীন খান
Who created you, proportioned you, and balanced you?—Saheeh International
فِي أَيِّ صُورَةٍ مَا شَاءَ رَكَّبَكَ
٨٢:٨
৮২:৮
82:8
যে আকৃতিতে তিনি চেয়েছেন সেইভাবে তিনি তোমাকে গঠন করেছেন?—জহুরুল হক
যিনি তোমাকে তাঁর ইচ্ছামত আকৃতিতে গঠন করেছেন।—মুহিউদ্দীন খান
যিনি তোমাকে তাঁর ইচ্ছামত আকৃতিতে গঠন করেছেন।—মুহিউদ্দীন খান
In whatever form He willed has He assembled you.—Saheeh International
كَلَّا بَلْ تُكَذِّبُونَ بِالدِّينِ
٨٢:٩
৮২:৯
82:9
না, তোমরা বরং সদ্বিচারকেই মিথ্যারোপ করছ।—জহুরুল হক
কখনও বিভ্রান্ত হয়ো না; বরং তোমরা দান-প্রতিদানকে মিথ্যা মনে কর।—মুহিউদ্দীন খান
কখনও বিভ্রান্ত হয়ো না; বরং তোমরা দান-প্রতিদানকে মিথ্যা মনে কর।—মুহিউদ্দীন খান
No! But you deny the Recompense.—Saheeh International
وَإِنَّ عَلَيْكُمْ لَحَافِظِينَ
٨٢:١٠
৮২:১০
82:10
অথচ তোমাদের উপরে নিশ্চয়ই তত্ত্বাবধায়ক রয়েছে, --—জহুরুল হক
অবশ্যই তোমাদের উপর তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত আছে।—মুহিউদ্দীন খান
অবশ্যই তোমাদের উপর তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত আছে।—মুহিউদ্দীন খান
And indeed, [appointed] over you are keepers,—Saheeh International
كِرَامًا كَاتِبِينَ
٨٢:١١
৮২:১১
82:11
সম্মানিত লিপিকারগণ,—জহুরুল হক
সম্মানিত আমল লেখকবৃন্দ।—মুহিউদ্দীন খান
সম্মানিত আমল লেখকবৃন্দ।—মুহিউদ্দীন খান
Noble and recording;—Saheeh International
يَعْلَمُونَ مَا تَفْعَلُونَ
٨٢:١٢
৮২:১২
82:12
তারা জানে তোমরা যা-কিছু কর।—জহুরুল হক
তারা জানে যা তোমরা কর।—মুহিউদ্দীন খান
তারা জানে যা তোমরা কর।—মুহিউদ্দীন খান
They know whatever you do.—Saheeh International
إِنَّ الْأَبْرَارَ لَفِي نَعِيمٍ
٨٢:١٣
৮২:১৩
82:13
ধার্মিকরা নিশ্চয় থাকবে আনন্দেরই মাঝে,—জহুরুল হক
সৎকর্মশীলগণ থাকবে জান্নাতে।—মুহিউদ্দীন খান
সৎকর্মশীলগণ থাকবে জান্নাতে।—মুহিউদ্দীন খান
Indeed, the righteous will be in pleasure,—Saheeh International
وَإِنَّ الْفُجَّارَ لَفِي جَحِيمٍ
٨٢:١٤
৮২:১৪
82:14
আর পাপাচারীরা আলবৎ থাকবে ভয়ংকর আগুনে, --—জহুরুল হক
এবং দুষ্কর্মীরা থাকবে জাহান্নামে;—মুহিউদ্দীন খান
এবং দুষ্কর্মীরা থাকবে জাহান্নামে;—মুহিউদ্দীন খান
And indeed, the wicked will be in Hellfire.—Saheeh International
يَصْلَوْنَهَا يَوْمَ الدِّينِ
٨٢:١٥
৮২:১৫
82:15
তারা এতে প্রবেশ করবে বিচারের দিনে—জহুরুল হক
তারা বিচার দিবসে তথায় প্রবেশ করবে।—মুহিউদ্দীন খান
তারা বিচার দিবসে তথায় প্রবেশ করবে।—মুহিউদ্দীন খান
They will [enter to] burn therein on the Day of Recompense,—Saheeh International
وَمَا هُمْ عَنْهَا بِغَائِبِينَ
٨٢:١٦
৮২:১৬
82:16
আর তারা এর থেকে গরহাজির থাকতে পারবে না।—জহুরুল হক
তারা সেখান থেকে পৃথক হবে না।—মুহিউদ্দীন খান
তারা সেখান থেকে পৃথক হবে না।—মুহিউদ্দীন খান
And never therefrom will they be absent.—Saheeh International
وَمَا أَدْرَاكَ مَا يَوْمُ الدِّينِ
٨٢:١٧
৮২:১৭
82:17
আর কিসে তোমাকে বুঝতে দেবে কী সেই বিচারের দিন?—জহুরুল হক
আপনি জানেন, বিচার দিবস কি?—মুহিউদ্দীন খান
আপনি জানেন, বিচার দিবস কি?—মুহিউদ্দীন খান
And what can make you know what is the Day of Recompense?—Saheeh International
ثُمَّ مَا أَدْرَاكَ مَا يَوْمُ الدِّينِ
٨٢:١٨
৮২:১৮
82:18
পুনরায় কিসে তোমাকে বোঝানো যাবে বিচারের দিন কি?—জহুরুল হক
অতঃপর আপনি জানেন, বিচার দিবস কি?—মুহিউদ্দীন খান
অতঃপর আপনি জানেন, বিচার দিবস কি?—মুহিউদ্দীন খান
Then, what can make you know what is the Day of Recompense?—Saheeh International
يَوْمَ لَا تَمْلِكُ نَفْسٌ لِنَفْسٍ شَيْئًا ۖ وَالْأَمْرُ يَوْمَئِذٍ لِلَّهِ
٨٢:١٩
৮২:১৯
82:19
এ সেইদিন যেদিন কোনো সত্ত্বা কোনো আত্মার জন্যে কোনো-কিছু করার সামর্থ্য রাখবে না। আর কর্তৃত্ব সেইদিন হবে আল্লাহ্রই।—জহুরুল হক
যেদিন কেউ কারও কোন উপকার করতে পারবে না এবং সেদিন সব কতৃত্য হবে আল্লাহর।—মুহিউদ্দীন খান
যেদিন কেউ কারও কোন উপকার করতে পারবে না এবং সেদিন সব কতৃত্য হবে আল্লাহর।—মুহিউদ্দীন খান
It is the Day when a soul will not possess for another soul [power to do] a thing; and the command, that Day, is [entirely] with Allah.—Saheeh International
