Quran Shareef

بِسْمِ اللّهِ الرَّحْمـَنِ الرَّحِيمِ


শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।

 

وَالطُّورِ۝

٥٢:١

৫২:১

52:1

ভাবো পাহাড়ের কথা,—জহুরুল হক
কসম তূরপর্বতের,—মুহিউদ্দীন খান
By the mount—Saheeh International
وَكِتَابٍ مَسْطُورٍ۝

٥٢:٢

৫২:২

52:2

আর লিখিত গ্রন্থের,—জহুরুল হক
এবং লিখিত কিতাবের,—মুহিউদ্দীন খান
And [by] a Book inscribed—Saheeh International
فِي رَقٍّ مَنْشُورٍ۝

٥٢:٣

৫২:৩

52:3

এক খোলামেলা পাতায়,—জহুরুল হক
প্রশস্ত পত্রে,—মুহিউদ্দীন খান
In parchment spread open—Saheeh International
وَالْبَيْتِ الْمَعْمُورِ۝

٥٢:٤

৫২:৪

52:4

আর ভাবো ঘনঘন গমনাগমনের গৃহের কথা,—জহুরুল হক
কসম বায়তুল-মামুর তথা আবাদ গৃহের,—মুহিউদ্দীন খান
And [by] the frequented House—Saheeh International
وَالسَّقْفِ الْمَرْفُوعِ۝

٥٢:٥

৫২:৫

52:5

আর সমুন্নত ছাদের,—জহুরুল হক
এবং সমুন্নত ছাদের,—মুহিউদ্দীন খান
And [by] the heaven raised high—Saheeh International
وَالْبَحْرِ الْمَسْجُورِ۝

٥٢:٦

৫২:৬

52:6

আর উচ্ছলিত সমুদ্রের কথা,—জহুরুল হক
এবং উত্তাল সমুদ্রের,—মুহিউদ্দীন খান
And [by] the sea filled [with fire],—Saheeh International
إِنَّ عَذَابَ رَبِّكَ لَوَاقِعٌ۝

٥٢:٧

৫২:৭

52:7

নিঃসন্দেহ তোমার প্রভুর শাস্তি অবশ্যাবী --—জহুরুল হক
আপনার পালনকর্তার শাস্তি অবশ্যম্ভাবী,—মুহিউদ্দীন খান
Indeed, the punishment of your Lord will occur.—Saheeh International
مَا لَهُ مِنْ دَافِعٍ۝

٥٢:٨

৫২:৮

52:8

এটির জন্য কোনো প্রতিরোধকারী নেই;—জহুরুল হক
তা কেউ প্রতিরোধ করতে পারবে না।—মুহিউদ্দীন খান
Of it there is no preventer.—Saheeh International
يَوْمَ تَمُورُ السَّمَاءُ مَوْرًا۝

٥٢:٩

৫২:৯

52:9

যেদিন আকাশ আলোড়ন করবে আলোড়নে,—জহুরুল হক
সেদিন আকাশ প্রকম্পিত হবে প্রবলভাবে।—মুহিউদ্দীন খান
On the Day the heaven will sway with circular motion—Saheeh International
وَتَسِيرُ الْجِبَالُ سَيْرًا۝

٥٢:١٠

৫২:১০

52:10

আর পাহাড়গুলো চলে যাবে চলে যাওয়ায়।—জহুরুল হক
এবং পর্বতমালা হবে চলমান,—মুহিউদ্দীন খান
And the mountains will pass on, departing -—Saheeh International
فَوَيْلٌ يَوْمَئِذٍ لِلْمُكَذِّبِينَ۝

٥٢:١١

৫২:১১

52:11

অতএব ধিক্ সেইদিন প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্য --—জহুরুল হক
সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে,—মুহিউদ্দীন খান
Then woe, that Day, to the deniers,—Saheeh International
الَّذِينَ هُمْ فِي خَوْضٍ يَلْعَبُونَ۝

٥٢:١٢

৫২:১২

52:12

যারা বৃথা তর্কবিতর্কে খেলা খেলছে।—জহুরুল হক
যারা ক্রীড়াচ্ছলে মিছেমিছি কথা বানায়।—মুহিউদ্দীন খান
Who are in [empty] discourse amusing themselves.—Saheeh International
يَوْمَ يُدَعُّونَ إِلَىٰ نَارِ جَهَنَّمَ دَعًّا۝

٥٢:١٣

৫২:১৩

52:13

সেইদিন তাদের ধাক্কা দিয়ে নেওয়া হবে জাহান্নামের আগুনের দিকে ধাক্কা দিতে দিতে।—জহুরুল হক
সেদিন তোমাদেরকে জাহান্নামের অগ্নির দিকে ধাক্কা মেরে মেরে নিয়ে যাওয়া হবে।—মুহিউদ্দীন খান
The Day they are thrust toward the fire of Hell with a [violent] thrust, [its angels will say],—Saheeh International
هَـٰذِهِ النَّارُ الَّتِي كُنْتُمْ بِهَا تُكَذِّبُونَ۝

٥٢:١٤

৫২:১৪

52:14

''এইটিই সেই আগুন যেটিকে তোমরা মিথ্যা বলতে।—জহুরুল হক
এবং বলা হবেঃ এই সেই অগ্নি, যাকে তোমরা মিথ্যা বলতে,—মুহিউদ্দীন খান
"This is the Fire which you used to deny.—Saheeh International
أَفَسِحْرٌ هَـٰذَا أَمْ أَنْتُمْ لَا تُبْصِرُونَ۝

٥٢:١٥

৫২:১৫

52:15

''এটি কি তবে জাদু? না কি তোমরা দেখতে পাচ্ছ না?—জহুরুল হক
এটা কি জাদু, না তোমরা চোখে দেখছ না?—মুহিউদ্দীন খান
Then is this magic, or do you not see?—Saheeh International
اصْلَوْهَا فَاصْبِرُوا أَوْ لَا تَصْبِرُوا سَوَاءٌ عَلَيْكُمْ ۖ إِنَّمَا تُجْزَوْنَ مَا كُنْتُمْ تَعْمَلُونَ۝

٥٢:١٦

৫২:১৬

52:16

''ঢুকে পড় এতে! অতঃপর তোমরা ধৈর্য ধর অথবা ধৈর্য না-ধর, তোমাদের জন্য একসমান। তোমাদের প্রতিফল দেওয়া হচ্ছে শুধুমাত্র তোমরা যা করতে তারই।’’—জহুরুল হক
এতে প্রবেশ কর অতঃপর তোমরা সবর কর অথবা না কর, উভয়ই তোমাদের জন্য সমান। তোমরা যা করতে তোমাদেরকে কেবল তারই প্রতিফল দেয়া হবে।—মুহিউদ্দীন খান
[Enter to] burn therein; then be patient or impatient - it is all the same for you. You are only being recompensed [for] what you used to do."—Saheeh International
إِنَّ الْمُتَّقِينَ فِي جَنَّاتٍ وَنَعِيمٍ۝

٥٢:١٧

৫২:১৭

52:17

নিঃসন্দেহ মুত্তকীরা থাকবে জান্নাতে ও পরমানন্দে, --—জহুরুল হক
নিশ্চয় খোদাভীরুরা থাকবে জান্নাতে ও নেয়ামতে।—মুহিউদ্দীন খান
Indeed, the righteous will be in gardens and pleasure,—Saheeh International
فَاكِهِينَ بِمَا آتَاهُمْ رَبُّهُمْ وَوَقَاهُمْ رَبُّهُمْ عَذَابَ الْجَحِيمِ۝

٥٢:١٨

৫২:১৮

52:18

তাদের প্রভু যা তাদের দিয়েছেন সেজন্য তারা সুখভোগ করতে থাকবে, আর তাদের প্রভু তাদের রক্ষা করবেন ভয়ংকর আগুনের শাস্তি থেকে।—জহুরুল হক
তারা উপভোগ করবে যা তাদের পালনকর্তা তাদের দেবেন এবং তিনি জাহান্নামের আযাব থেকে তাদেরকে রক্ষা করবেন।—মুহিউদ্দীন খান
Enjoying what their Lord has given them, and their Lord protected them from the punishment of Hellfire.—Saheeh International
كُلُوا وَاشْرَبُوا هَنِيئًا بِمَا كُنْتُمْ تَعْمَلُونَ۝

٥٢:١٩

৫২:১৯

52:19

''তোমরা যা করে থাকতে সেজন্য তৃপ্তির সাথে খাওদাও ও পান করো।’’—জহুরুল হক
তাদেরকে বলা হবেঃ তোমরা যা করতে তার প্রতিফলস্বরূপ তোমরা তৃপ্ত হয়ে পানাহার কর।—মুহিউদ্দীন খান
[They will be told], "Eat and drink in satisfaction for what you used to do."—Saheeh International
مُتَّكِئِينَ عَلَىٰ سُرُرٍ مَصْفُوفَةٍ ۖ وَزَوَّجْنَاهُمْ بِحُورٍ عِينٍ۝

٥٢:٢٠

৫২:২০

52:20

তারা হেলান দিয়ে বসবে সারি-সারি সিংহাসনের উপরে, আর আমরা তাদের জোড় মিলিয়ে দেব আয়তলোচন হূরদের সাথে।—জহুরুল হক
তারা শ্রেণীবদ্ধ সিংহাসনে হেলান দিয়ে বসবে। আমি তাদেরকে আয়তলোচনা হুরদের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ করে দেব।—মুহিউদ্দীন খান
They will be reclining on thrones lined up, and We will marry them to fair women with large, [beautiful] eyes.—Saheeh International
وَالَّذِينَ آمَنُوا وَاتَّبَعَتْهُمْ ذُرِّيَّتُهُمْ بِإِيمَانٍ أَلْحَقْنَا بِهِمْ ذُرِّيَّتَهُمْ وَمَا أَلَتْنَاهُمْ مِنْ عَمَلِهِمْ مِنْ شَيْءٍ ۚ كُلُّ امْرِئٍ بِمَا كَسَبَ رَهِينٌ۝

٥٢:٢١

৫২:২১

52:21

আর যারা ঈমান আনে, এবং যাদের সন্তানসন্ততি ধর্মবিশ্বাসে তাদের অনুসরণ করে -- আমরা তাদের সঙ্গে মিলন ঘটাব তাদের ছেলেমেয়েদের, আর আমরা তাদের ক্রিয়াকর্ম থেকে কোনো কিছুই তাদের জন্য কমিয়ে দেব না। প্রত্যেক ব্যক্তিই সে যা অর্জন করেছে সেজন্য দায়ী।—জহুরুল হক
যারা ঈমানদার এবং যাদের সন্তানরা ঈমানে তাদের অনুগামী, আমি তাদেরকে তাদের পিতৃপুরুষদের সাথে মিলিত করে দেব এবং তাদের আমল বিন্দুমাত্রও হ্রাস করব না। প্রত্যেক ব্যক্তি নিজ কৃত কর্মের জন্য দায়ী।—মুহিউদ্দীন খান
And those who believed and whose descendants followed them in faith - We will join with them their descendants, and We will not deprive them of anything of their deeds. Every person, for what he earned, is retained.—Saheeh International
وَأَمْدَدْنَاهُمْ بِفَاكِهَةٍ وَلَحْمٍ مِمَّا يَشْتَهُونَ۝

٥٢:٢٢

৫২:২২

52:22

আর আমরা তাদের প্রচুর পরিমাণে প্রদান করব ফলফসল ও মাছমাংস -- যা তারা পছন্দ করে তা থেকে।—জহুরুল হক
আমি তাদেরকে দেব ফল-মূল এবং মাংস যা তারা চাইবে।—মুহিউদ্দীন খান
And We will provide them with fruit and meat from whatever they desire.—Saheeh International
يَتَنَازَعُونَ فِيهَا كَأْسًا لَا لَغْوٌ فِيهَا وَلَا تَأْثِيمٌ۝

٥٢:٢٣

৫২:২৩

52:23

তারা সেখানে একটি পানপাত্র পরস্পরের মধ্যে আদান-প্রদান করবে, তাতে থাকবে না কোনো খেলো আচরণ, না কোনো পাপ।—জহুরুল হক
সেখানে তারা একে অপরকে পানপাত্র দেবে; যাতে অসার বকাবকি নেই এবং পাপকর্মও নেই।—মুহিউদ্দীন খান
They will exchange with one another a cup [of wine] wherein [results] no ill speech or commission of sin.—Saheeh International
وَيَطُوفُ عَلَيْهِمْ غِلْمَانٌ لَهُمْ كَأَنَّهُمْ لُؤْلُؤٌ مَكْنُونٌ۝

٥٢:٢٤

৫২:২৪

52:24

আর তাদের চারিদিকে ঘুরবে তাদের কিশোররা, -- তারা যেন সুরক্ষিত মুক্তো!—জহুরুল হক
সুরক্ষিত মোতিসদৃশ কিশোররা তাদের সেবায় ঘুরাফেরা করবে।—মুহিউদ্দীন খান
There will circulate among them [servant] boys [especially] for them, as if they were pearls well-protected.—Saheeh International
وَأَقْبَلَ بَعْضُهُمْ عَلَىٰ بَعْضٍ يَتَسَاءَلُونَ۝

٥٢:٢٥

৫২:২৫

52:25

আর তাদের কেউ-কেউ অপরের দিকে জিজ্ঞাসাবাদ ক’রে এগিয়ে যাবে --—জহুরুল হক
তারা একে অপরের দিকে মুখ করে জিজ্ঞাসাবাদ করবে।—মুহিউদ্দীন খান
And they will approach one another, inquiring of each other.—Saheeh International
قَالُوا إِنَّا كُنَّا قَبْلُ فِي أَهْلِنَا مُشْفِقِينَ۝

٥٢:٢٦

৫২:২৬

52:26

তারা বলবে -- ''নিঃসন্দেহ আমরা ইতিপূর্বে আমাদের পরিজনদের সম্পর্কে ভীত ছিলাম।—জহুরুল হক
তারা বলবেঃ আমরা ইতিপূর্বে নিজেদের বাসগৃহে ভীত-কম্পিত ছিলাম।—মুহিউদ্দীন খান
They will say, "Indeed, we were previously among our people fearful [of displeasing Allah].—Saheeh International
فَمَنَّ اللَّهُ عَلَيْنَا وَوَقَانَا عَذَابَ السَّمُومِ۝

٥٢:٢٧

৫২:২৭

52:27

''তবে আল্লাহ আমাদের প্রতি অনুগ্রহ করেছেন, আর আমাদের রক্ষা করেছেন তাপপীড়িত বায়ুপ্রবাহের শাস্তি থেকে।—জহুরুল হক
অতঃপর আল্লাহ আমাদের প্রতি অনুগ্রহ করেছেন এবং আমাদেরকে আগুনের শাস্তি থেকে রক্ষা করেছেন।—মুহিউদ্দীন খান
So Allah conferred favor upon us and protected us from the punishment of the Scorching Fire.—Saheeh International
إِنَّا كُنَّا مِنْ قَبْلُ نَدْعُوهُ ۖ إِنَّهُ هُوَ الْبَرُّ الرَّحِيمُ۝

٥٢:٢٨

৫২:২৮

52:28

''আমরা অবশ্য এর আগেও তাঁকে ডাকতে থাকতাম। নিঃসন্দেহ তিনি খোদ অতি সদাশয়, অফুরন্ত ফলদাতা।—জহুরুল হক
আমরা পূর্বেও আল্লাহকে ডাকতাম। তিনি সৌজন্যশীল, পরম দয়ালু।—মুহিউদ্দীন খান
Indeed, we used to supplicate Him before. Indeed, it is He who is the Beneficent, the Merciful."—Saheeh International
فَذَكِّرْ فَمَا أَنْتَ بِنِعْمَتِ رَبِّكَ بِكَاهِنٍ وَلَا مَجْنُونٍ۝

٥٢:٢٩

৫২:২৯

52:29

অতএব তুমি উপদেশ দান করতে থাকো, কেননা তোমার প্রভুর অনুগ্রহে তুমি তো গনৎকার নও এবং মাথা-পাগলাও নও।—জহুরুল হক
অতএব, আপনি উপদেশ দান করুন। আপনার পালনকর্তার কৃপায় আপনি অতীন্দ্রিয়বাদী নন এবং উম্মাদও নন।—মুহিউদ্দীন খান
So remind [O Muhammad], for you are not, by the favor of your Lord, a soothsayer or a madman.—Saheeh International
أَمْ يَقُولُونَ شَاعِرٌ نَتَرَبَّصُ بِهِ رَيْبَ الْمَنُونِ۝

٥٢:٣٠

৫২:৩০

52:30

অথবা তারা কি বলে -- ''একজন কবি, আমরা বরং তার জন্য অপেক্ষা করি কালের কবলে পড়ার দরুন?—জহুরুল হক
তারা কি বলতে চায়ঃ সে একজন কবি আমরা তার মৃত্যু-দুর্ঘটনার প্রতীক্ষা করছি।—মুহিউদ্দীন খান
Or do they say [of you], "A poet for whom we await a misfortune of time?"—Saheeh International
قُلْ تَرَبَّصُوا فَإِنِّي مَعَكُمْ مِنَ الْمُتَرَبِّصِينَ۝

٥٢:٣١

৫২:৩১

52:31

তুমি বলো -- ''তোমরা অপেক্ষা করতে থাকো, আমিও তবে অবশ্য তোমাদের সঙ্গে অপেক্ষাকারীদের মধ্যে রয়েছি।’’—জহুরুল হক
বলুনঃ তোমরা প্রতীক্ষা কর, আমিও তোমাদের সাথে প্রতীক্ষারত আছি।—মুহিউদ্দীন খান
Say, "Wait, for indeed I am, with you, among the waiters."—Saheeh International
أَمْ تَأْمُرُهُمْ أَحْلَامُهُمْ بِهَـٰذَا ۚ أَمْ هُمْ قَوْمٌ طَاغُونَ۝

٥٢:٣٢

৫২:৩২

52:32

অথবা তাদের বোধশক্তি কি এ-বিষয়ে তাদের নির্দেশ দিয়ে থাকে? অথবা তারা কি এক সীমালংঘনকারী জাতি?—জহুরুল হক
তাদের বুদ্ধি কি এ বিষয়ে তাদেরকে আদেশ করে, না তারা সীমালংঘনকারী সম্প্রদায়?—মুহিউদ্দীন খান
Or do their minds command them to [say] this, or are they a transgressing people?—Saheeh International
أَمْ يَقُولُونَ تَقَوَّلَهُ ۚ بَلْ لَا يُؤْمِنُونَ۝

٥٢:٣٣

৫২:৩৩

52:33

অথবা তারা কি বলে যে এটি সে বর্ণনা করেছে? না, তারা বিশ্বাস করে না।—জহুরুল হক
না তারা বলেঃ এই কোরআন সে নিজে রচনা করেছে? বরং তারা অবিশ্বাসী।—মুহিউদ্দীন খান
Or do they say, "He has made it up"? Rather, they do not believe.—Saheeh International
فَلْيَأْتُوا بِحَدِيثٍ مِثْلِهِ إِنْ كَانُوا صَادِقِينَ۝

٥٢:٣٤

৫২:৩৪

52:34

তাহলে তারা এর সমতুল্য এক রচনা নিয়ে আসুক, -- যদি তারা সত্যবাদী হয়।—জহুরুল হক
যদি তারা সত্যবাদী হয়ে থাকে, তবেএর অনুরূপ কোন রচনা উপস্থিত করুক।—মুহিউদ্দীন খান
Then let them produce a statement like it, if they should be truthful.—Saheeh International
أَمْ خُلِقُوا مِنْ غَيْرِ شَيْءٍ أَمْ هُمُ الْخَالِقُونَ۝

٥٢:٣٥

৫২:৩৫

52:35

অথবা তাদের কি সৃষ্টি করা হয়েছে কেউ না-থাকা থেকে, না তারাই সৃষ্টিকর্তা?—জহুরুল হক
তারা কি আপনা-আপনিই সৃজিত হয়ে গেছে, না তারা নিজেরাই স্রষ্টা?—মুহিউদ্দীন খান
Or were they created by nothing, or were they the creators [of themselves]?—Saheeh International
أَمْ خَلَقُوا السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ ۚ بَلْ لَا يُوقِنُونَ۝

٥٢:٣٦

৫২:৩৬

52:36

অথবা তারা কি সৃষ্টি করেছিল মহাকাশমন্ডল ও পৃথিবী? না, তারা দৃঢ়বিশ্বাস রাখে না।—জহুরুল হক
না তারা নভোমন্ডল ও ভূমন্ডল সৃষ্টি করেছে? বরং তারা বিশ্বাস করে না।—মুহিউদ্দীন খান
Or did they create the heavens and the earth? Rather, they are not certain.—Saheeh International
أَمْ عِنْدَهُمْ خَزَائِنُ رَبِّكَ أَمْ هُمُ الْمُصَيْطِرُونَ۝

٥٢:٣٧

৫২:৩৭

52:37

অথবা তাদের কাছেই কি রয়েছে তোমার প্রভুর ধনভান্ডার, না তারাই নিয়ন্তা?—জহুরুল হক
তাদের কাছে কি আপনার পালনকর্তার ভান্ডার রয়েছে, না তারাই সবকিছুর তত্ত্বাবধায়ক?—মুহিউদ্দীন খান
Or have they the depositories [containing the provision] of your Lord? Or are they the controllers [of them]?—Saheeh International
أَمْ لَهُمْ سُلَّمٌ يَسْتَمِعُونَ فِيهِ ۖ فَلْيَأْتِ مُسْتَمِعُهُمْ بِسُلْطَانٍ مُبِينٍ۝

٥٢:٣٨

৫২:৩৮

52:38

অথবা তাদের কাছে কি রয়েছে সিড়ি যাঁর সাহায্যে তারা শোনে নেয়? তাহলে তাদের শ্রবণকারী নিয়ে আসুক এক সুস্পষ্ট প্রমাণ।—জহুরুল হক
না তাদের কোন সিঁড়ি আছে, যাতে আরোহণ করে তারা শ্রবণ করে? থাকলে তাদের শ্রোতা সুস্পষ্ট প্রমাণ উপস্থিত করুক।—মুহিউদ্দীন খান
Or have they a stairway [into the heaven] upon which they listen? Then let their listener produce a clear authority.—Saheeh International
أَمْ لَهُ الْبَنَاتُ وَلَكُمُ الْبَنُونَ۝

٥٢:٣٩

৫২:৩৯

52:39

অথবা তাঁর কারণে কি রয়েছে কন্যারাসব, আর তোমাদের জন্য রয়েছে পুত্ররা?—জহুরুল হক
না তার কন্যা-সন্তান আছে আর তোমাদের আছে পুত্রসন্তান?—মুহিউদ্দীন খান
Or has He daughters while you have sons?—Saheeh International
أَمْ تَسْأَلُهُمْ أَجْرًا فَهُمْ مِنْ مَغْرَمٍ مُثْقَلُونَ۝

٥٢:٤٠

৫২:৪০

52:40

অথবা তুমি কি তাদের কাছে পারিশ্রমিক চাইছ, যার ফলে তারা দেনায় ভারাক্রান্ত হয়ে গেছে?—জহুরুল হক
না আপনি তাদের কাছে পারিশ্রমিক চান যে, তাদের উপর জরিমানার বোঝা চেপে বসে?—মুহিউদ্দীন খান
Or do you, [O Muhammad], ask of them a payment, so they are by debt burdened down?—Saheeh International
أَمْ عِنْدَهُمُ الْغَيْبُ فَهُمْ يَكْتُبُونَ۝

٥٢:٤١

৫২:৪১

52:41

অথবা অদৃশ্য কি তাদের কাছে রয়েছে যার ফলে তারা লিখে ফেলতে পারে?—জহুরুল হক
না তাদের কাছে অদৃশ্য বিষয়ের জ্ঞান আছে যে, তারাই তা লিপিবদ্ধ করে?—মুহিউদ্দীন খান
Or have they [knowledge of] the unseen, so they write [it] down?—Saheeh International
أَمْ يُرِيدُونَ كَيْدًا ۖ فَالَّذِينَ كَفَرُوا هُمُ الْمَكِيدُونَ۝

٥٢:٤٢

৫২:৪২

52:42

অথবা তারা কি ষড়যন্ত্র করতে চায়? কিন্ত যারা অবিশ্বাস পোষণ করে তারা নিজেরাই ষড়যন্ত্রে জড়িয়ে পড়বে।—জহুরুল হক
না তারা চক্রান্ত করতে চায়? অতএব যারা কাফের, তারই চক্রান্তের শিকার হবে।—মুহিউদ্দীন খান
Or do they intend a plan? But those who disbelieve - they are the object of a plan.—Saheeh International
أَمْ لَهُمْ إِلَـٰهٌ غَيْرُ اللَّهِ ۚ سُبْحَانَ اللَّهِ عَمَّا يُشْرِكُونَ۝

٥٢:٤٣

৫২:৪৩

52:43

অথবা আল্লাহ্ ছাড়া তাদের কি অন্য উপাস্য রয়েছে? আল্লাহ্‌রই সব মহিমা -- তারা যা শরিক করে তিনি তার বাইরে।—জহুরুল হক
না তাদের আল্লাহ তা’আলা ব্যতীত কোন উপাস্য আছে? তারা যাকে শরীক করে, আল্লাহ তা’আলা তা থেকে পবিত্র।—মুহিউদ্দীন খান
Or have they a deity other than Allah? Exalted is Allah above whatever they associate with Him.—Saheeh International
وَإِنْ يَرَوْا كِسْفًا مِنَ السَّمَاءِ سَاقِطًا يَقُولُوا سَحَابٌ مَرْكُومٌ۝

٥٢:٤٤

৫২:৪৪

52:44

আর যদি তারা দেখে আকাশের এক টুকরো ভেঙ্গে পড়ছে, তাহলে তারা বলবে -- ''এক পুঞ্জীভূত মেঘমালা।’’—জহুরুল হক
তারা যদি আকাশের কোন খন্ডকে পতিত হতে দেখে, তবে বলে এটা তো পুঞ্জীভুত মেঘ।—মুহিউদ্দীন খান
And if they were to see a fragment from the sky falling, they would say, "[It is merely] clouds heaped up."—Saheeh International
فَذَرْهُمْ حَتَّىٰ يُلَاقُوا يَوْمَهُمُ الَّذِي فِيهِ يُصْعَقُونَ۝

٥٢:٤٥

৫২:৪৫

52:45

অতএব তাদের ছেড়ে দাও যে পর্যন্ত না তারা তাদের সেই দিনটির সাক্ষাৎ পায় যখন তারা হতভন্ব হয়ে যাবে, --—জহুরুল হক
তাদেরকে ছেড়ে দিন সেদিন পর্যন্ত, যেদিন তাদের উপর বজ্রাঘাত পতিত হবে।—মুহিউদ্দীন খান
So leave them until they meet their Day in which they will be struck insensible -—Saheeh International
يَوْمَ لَا يُغْنِي عَنْهُمْ كَيْدُهُمْ شَيْئًا وَلَا هُمْ يُنْصَرُونَ۝

٥٢:٤٦

৫২:৪৬

52:46

সেইদিন তাদের চাল-চক্রান্ত তাদের কোনো কাজে আসবে না, আর তাদের সাহায্যও করা হবে না।—জহুরুল হক
সেদিন তাদের চক্রান্ত তাদের কোন উপকারে আসবে না এবং তারা সাহায্যপ্রাপ্তও হবে না।—মুহিউদ্দীন খান
The Day their plan will not avail them at all, nor will they be helped.—Saheeh International
وَإِنَّ لِلَّذِينَ ظَلَمُوا عَذَابًا دُونَ ذَٰلِكَ وَلَـٰكِنَّ أَكْثَرَهُمْ لَا يَعْلَمُونَ۝

٥٢:٤٧

৫২:৪৭

52:47

আর যারা অন্যায়াচার করেছে তাদের জন্য এ ছাড়া আরো শাস্তি রয়েছে, কিন্ত তাদের অধিকাংশই জানে না।—জহুরুল হক
গোনাহগারদের জন্যে এছাড়া আরও শাস্তি রয়েছে, কিন্তু তাদের অধিকাংশই তা জানে না।—মুহিউদ্দীন খান
And indeed, for those who have wronged is a punishment before that, but most of them do not know.—Saheeh International
وَاصْبِرْ لِحُكْمِ رَبِّكَ فَإِنَّكَ بِأَعْيُنِنَا ۖ وَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ حِينَ تَقُومُ۝

٥٢:٤٨

৫২:৪৮

52:48

অতএব তোমার প্রভুর বিচারের জন্য ধৈর্য ধরে থেকো, বস্তুত তুমি নিশ্চয়ই আমাদের চোখের সামনে রয়েছ। কাজেই তোমার প্রভুর প্রশংসায় জপতপ করো যখন তুমি উঠে দাঁড়াও,—জহুরুল হক
আপনি আপনার পালনকর্তার নির্দেশের অপেক্ষায় সবর করুন। আপনি আমার দৃষ্টির সামনে আছেন এবং আপনি আপনার পালনকর্তার প্রশংসা পবিত্রতা ঘোষণা করুন যখন আপনি গাত্রোত্থান করেন।—মুহিউদ্দীন খান
And be patient, [O Muhammad], for the decision of your Lord, for indeed, you are in Our eyes. And exalt [Allah] with praise of your Lord when you arise.—Saheeh International
وَمِنَ اللَّيْلِ فَسَبِّحْهُ وَإِدْبَارَ النُّجُومِ۝

٥٢:٤٩

৫২:৪৯

52:49

আর রাতের বেলায়ও তবে তাঁর জপতপ করো এবং তারাগুলো ঝিমিয়ে যাবার সময়েও।—জহুরুল হক
এবং রাত্রির কিছু অংশে এবং তারকা অস্তমিত হওয়ার সময় তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করুন।—মুহিউদ্দীন খান
And in a part of the night exalt Him and after [the setting of] the stars.—Saheeh International